সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের ওপর গাছ ভেঙে পড়ে নাছিমা খাতুন (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ভোরে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বয়ে যাওয়া স্বল্পস্থায়ী এই ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমি জানান, মাত্র দেড় মিনিটের ঝড়ে কয়ড়া, বাঙ্গালা, সলঙ্গা, রামকৃষ্ণপুর, পূর্ণিমাগাঁতী ও বড়পাঙ্গাসী ইউনিয়নের ওপর দিয়ে তাণ্ডব চালায়। এতে ইরি ও বোরো ধানের ক্ষেত আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে মৌসুমি ফলের গাছসহ বহু গাছপালা ভেঙে পড়ে।
নিহত নাছিমা খাতুন উপজেলার দুর্গানগর ইউনিয়নের বালসাবাড়ি পুকুরপাড় এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের স্ত্রী। তিনি সরকারি খাস জমিতে নির্মিত একটি ছাপরা ঘরে বসবাস করতেন।
উল্লাপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সারোয়ার হোসেন জানান, ভোরে ঝড়ের সময় একটি গাছ ভেঙে নাছিমার ঘরের ওপর পড়ে। এতে তিনি চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ সময় ঘরে তার দুই শিশু সন্তান উপস্থিত থাকলেও তারা অক্ষত রয়েছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে, আকস্মিক এই ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘরবাড়ি ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক হিসাব নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের ওপর গাছ ভেঙে পড়ে নাছিমা খাতুন (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ভোরে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বয়ে যাওয়া স্বল্পস্থায়ী এই ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমি জানান, মাত্র দেড় মিনিটের ঝড়ে কয়ড়া, বাঙ্গালা, সলঙ্গা, রামকৃষ্ণপুর, পূর্ণিমাগাঁতী ও বড়পাঙ্গাসী ইউনিয়নের ওপর দিয়ে তাণ্ডব চালায়। এতে ইরি ও বোরো ধানের ক্ষেত আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে মৌসুমি ফলের গাছসহ বহু গাছপালা ভেঙে পড়ে।
নিহত নাছিমা খাতুন উপজেলার দুর্গানগর ইউনিয়নের বালসাবাড়ি পুকুরপাড় এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের স্ত্রী। তিনি সরকারি খাস জমিতে নির্মিত একটি ছাপরা ঘরে বসবাস করতেন।
উল্লাপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সারোয়ার হোসেন জানান, ভোরে ঝড়ের সময় একটি গাছ ভেঙে নাছিমার ঘরের ওপর পড়ে। এতে তিনি চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ সময় ঘরে তার দুই শিশু সন্তান উপস্থিত থাকলেও তারা অক্ষত রয়েছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে, আকস্মিক এই ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘরবাড়ি ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক হিসাব নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

আপনার মতামত লিখুন