টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচার শেখ হাসিনার অনুগতরা ঘাঁটি গেড়ে বসে আছেন মির্জাপুর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসে। সহকারী প্রকৌশলী (চঃদাঃ) (জনস্বাস্থ্য) মোঃ সোহেল রানা, এর দূর্নীতি- অপকর্মের সহযোগী মোঃ মেহেদী হাসান মেকানিক ও মোঃ রাসেল খান, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এর সহায়তায় দুর্নীতি নিয়ে নানা প্রকার অভিযোগ বিদ্যমান। বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, বিল আটকে রাখা, ঘুষ নেওয়া এবং রয়েছে নিম্নমানের কাজ করানোর অভিযোগ। যার ফলে ঠিকাদার ও ভুক্তভোগীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন, এবং এ বিষয়ে একাধিক বিভাগীয় তদন্তে প্রকাশিত হয়েছে। যদিও এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের করা হয়নি। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অস্বচ্ছতা ও নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। স্বজনপ্রীতি ও পরিচিত আ'লীগের লোকজন সহ পরিচিতদের কাজ পায়িয়ে দেয়া এবং ঠিকাদারদের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়া এবং বিল আটকে রেখে হয়রানি করার অভিযোগ আছে। নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও নির্ধারিত মানের চেয়ে কম কাজ করানোর অভিযোগও রয়েছে। রয়েছে প্রভাব ও মোটা অঙ্কের লেনদেনের অভিযোগও উঠেছে। এর সাথে স্থানীয় কিছু সাংবাদিকও জরিত রয়েছে। স্থানীয় জনসাধারণ ও সুধিজনেরা এর সঠিক তদন্ত ও ব্যাবস্থা চান।
এছাড়ও ঠিকমত অফিসের উপস্থিত না থেকে সরকারি বেতন হাতিয়ে নেয়া। এখনও আ'লীগ পন্থী সাংবাদিকদের নিয়ে, তার নিকট তথ্য জানতে পাওয়া অন্যান্য সাংবাদিকদের মিথ্যা নাটক সাজিয়ে তাদেরকে হেনস্তার শিকার করানো সহ ক্ষমতার অপব্যবহার করা।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচার শেখ হাসিনার অনুগতরা ঘাঁটি গেড়ে বসে আছেন মির্জাপুর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসে। সহকারী প্রকৌশলী (চঃদাঃ) (জনস্বাস্থ্য) মোঃ সোহেল রানা, এর দূর্নীতি- অপকর্মের সহযোগী মোঃ মেহেদী হাসান মেকানিক ও মোঃ রাসেল খান, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এর সহায়তায় দুর্নীতি নিয়ে নানা প্রকার অভিযোগ বিদ্যমান। বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, বিল আটকে রাখা, ঘুষ নেওয়া এবং রয়েছে নিম্নমানের কাজ করানোর অভিযোগ। যার ফলে ঠিকাদার ও ভুক্তভোগীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন, এবং এ বিষয়ে একাধিক বিভাগীয় তদন্তে প্রকাশিত হয়েছে। যদিও এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের করা হয়নি। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অস্বচ্ছতা ও নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। স্বজনপ্রীতি ও পরিচিত আ'লীগের লোকজন সহ পরিচিতদের কাজ পায়িয়ে দেয়া এবং ঠিকাদারদের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়া এবং বিল আটকে রেখে হয়রানি করার অভিযোগ আছে। নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও নির্ধারিত মানের চেয়ে কম কাজ করানোর অভিযোগও রয়েছে। রয়েছে প্রভাব ও মোটা অঙ্কের লেনদেনের অভিযোগও উঠেছে। এর সাথে স্থানীয় কিছু সাংবাদিকও জরিত রয়েছে। স্থানীয় জনসাধারণ ও সুধিজনেরা এর সঠিক তদন্ত ও ব্যাবস্থা চান।
এছাড়ও ঠিকমত অফিসের উপস্থিত না থেকে সরকারি বেতন হাতিয়ে নেয়া। এখনও আ'লীগ পন্থী সাংবাদিকদের নিয়ে, তার নিকট তথ্য জানতে পাওয়া অন্যান্য সাংবাদিকদের মিথ্যা নাটক সাজিয়ে তাদেরকে হেনস্তার শিকার করানো সহ ক্ষমতার অপব্যবহার করা।

আপনার মতামত লিখুন