নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় দাম্পত্য কলহের জেরে বাবার বাড়িতে এক গৃহবধূর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে আড়াইহাজার পৌরসভার শিবপুর এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত ফাতেমা ওই এলাকার রূপ মিয়ার মেয়ে বলে জানা গেছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক কলহের জেরে প্রায় এক মাস আগে ফাতেমা বাবার বাড়িতে চলে আসেন এবং সেখানেই অবস্থান করছিলেন।
স্বজনরা জানান, সোমবার রাতের দিকে ফাতেমা তার স্বামীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলার সময় আবারও তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় স্বামীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি অভিমান করে পড়েন। পরে গভীর রাতে বাবার বাড়ির টিনশেড ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।
সকালে পরিবারের সদস্যরা ফাতেমাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে গুরুতর আহত অবস্থায় আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যাওয়া হয়।
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ফাতেমাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে এবং এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে আড়াইহাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় দাম্পত্য কলহের জেরে বাবার বাড়িতে এক গৃহবধূর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে আড়াইহাজার পৌরসভার শিবপুর এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত ফাতেমা ওই এলাকার রূপ মিয়ার মেয়ে বলে জানা গেছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক কলহের জেরে প্রায় এক মাস আগে ফাতেমা বাবার বাড়িতে চলে আসেন এবং সেখানেই অবস্থান করছিলেন।
স্বজনরা জানান, সোমবার রাতের দিকে ফাতেমা তার স্বামীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলার সময় আবারও তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় স্বামীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি অভিমান করে পড়েন। পরে গভীর রাতে বাবার বাড়ির টিনশেড ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।
সকালে পরিবারের সদস্যরা ফাতেমাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে গুরুতর আহত অবস্থায় আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যাওয়া হয়।
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ফাতেমাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে এবং এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে আড়াইহাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন