রকিবুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের শিয়ালকোল এলাকায় অবস্থিত শ্রী শ্রী মহাপ্রভু মন্দিরে অক্ষয় তৃতীয়া পূজাকে কেন্দ্র করে একটি রহস্যময় ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মন্দিরে রাখা নতুন ধুতির ওপর ছোট্ট একটি পায়ের ছাপ দেখা যাওয়ায় ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে কৌতূহল, বিস্ময় ও নানা ব্যাখ্যা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অক্ষয় তৃতীয়া উপলক্ষে মন্দিরে একটি নতুন ধুতি অর্পণ করা হয়। পূজা শেষে মন্দিরের পুরোহিত নিজেই দরজা বন্ধ করে বাইরে যান। সে সময় মন্দিরের ভেতরে অন্য কেউ ছিল না বলে দাবি করা হচ্ছে।
পরবর্তীতে কিছুক্ষণ পর মন্দিরে ফিরে এসে পুরোহিত ধুতির ওপর একটি ছোট্ট পায়ের ছাপ দেখতে পান। বিষয়টি দ্রুত স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে অনেকে এটিকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের (গোপাল) পদচিহ্ন হিসেবে বিশ্বাস করতে শুরু করেন।
মন্দিরের পুরোহিত জানান, “পূজা শেষে আমি নিজেই মন্দিরের দরজা বন্ধ করি। পরে ভেতরে গিয়ে ধুতির ওপর একটি ছোট্ট পায়ের ছাপ দেখতে পাই। ঘটনাটি আমার কাছেও বিস্ময়কর লেগেছে।” তিনি আরও বলেন, “অনেকে এটিকে অলৌকিক ঘটনা হিসেবে দেখছেন, তবে বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলার আগে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।”
স্থানীয়দের দাবি, বহু পুরনো এই মন্দিরটি এলাকায় ‘জাগ্রত মন্দির’ হিসেবে পরিচিত। অতীতেও এখানে নানা অলৌকিক ঘটনার প্রচলিত গল্প রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভক্তরা মন্দিরে ভিড় করছেন। কেউ এটিকে ঈশ্বরের উপস্থিতির নিদর্শন হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বিষয়টি বাস্তবসম্মতভাবে যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিচ্ছেন।
সব মিলিয়ে ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া—বিশ্বাস, আবেগ ও অনুসন্ধিৎসার এক অনন্য সংমিশ্রণ।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
রকিবুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের শিয়ালকোল এলাকায় অবস্থিত শ্রী শ্রী মহাপ্রভু মন্দিরে অক্ষয় তৃতীয়া পূজাকে কেন্দ্র করে একটি রহস্যময় ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মন্দিরে রাখা নতুন ধুতির ওপর ছোট্ট একটি পায়ের ছাপ দেখা যাওয়ায় ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে কৌতূহল, বিস্ময় ও নানা ব্যাখ্যা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অক্ষয় তৃতীয়া উপলক্ষে মন্দিরে একটি নতুন ধুতি অর্পণ করা হয়। পূজা শেষে মন্দিরের পুরোহিত নিজেই দরজা বন্ধ করে বাইরে যান। সে সময় মন্দিরের ভেতরে অন্য কেউ ছিল না বলে দাবি করা হচ্ছে।
পরবর্তীতে কিছুক্ষণ পর মন্দিরে ফিরে এসে পুরোহিত ধুতির ওপর একটি ছোট্ট পায়ের ছাপ দেখতে পান। বিষয়টি দ্রুত স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে অনেকে এটিকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের (গোপাল) পদচিহ্ন হিসেবে বিশ্বাস করতে শুরু করেন।
মন্দিরের পুরোহিত জানান, “পূজা শেষে আমি নিজেই মন্দিরের দরজা বন্ধ করি। পরে ভেতরে গিয়ে ধুতির ওপর একটি ছোট্ট পায়ের ছাপ দেখতে পাই। ঘটনাটি আমার কাছেও বিস্ময়কর লেগেছে।” তিনি আরও বলেন, “অনেকে এটিকে অলৌকিক ঘটনা হিসেবে দেখছেন, তবে বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলার আগে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।”
স্থানীয়দের দাবি, বহু পুরনো এই মন্দিরটি এলাকায় ‘জাগ্রত মন্দির’ হিসেবে পরিচিত। অতীতেও এখানে নানা অলৌকিক ঘটনার প্রচলিত গল্প রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভক্তরা মন্দিরে ভিড় করছেন। কেউ এটিকে ঈশ্বরের উপস্থিতির নিদর্শন হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বিষয়টি বাস্তবসম্মতভাবে যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিচ্ছেন।
সব মিলিয়ে ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া—বিশ্বাস, আবেগ ও অনুসন্ধিৎসার এক অনন্য সংমিশ্রণ।

আপনার মতামত লিখুন