ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অগ্নিশিখা

সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার সুনামপুর এলাকায় তীব্র জ্বালানি সংকট: দুর্ভোগে মোটরসাইকেল চালকরা



সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার সুনামপুর এলাকায় তীব্র জ্বালানি সংকট: দুর্ভোগে মোটরসাইকেল চালকরা

সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় হঠাৎ করে তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা। জরুরি প্রয়োজনে বের হলেও অনেকেই পর্যাপ্ত তেল না পেয়ে মাঝপথে বিপাকে পড়ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার অধিকাংশ পেট্রোল পাম্পে গত কয়েকদিন ধরে তেল সরবরাহ বন্ধ বা সীমিত রয়েছে। ফলে প্রতিদিনই দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক বাইকার খালি হাতে ফিরছেন। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত দামে খোলা বাজার থেকে তেল কিনছেন।

এ পরিস্থিতিতে অনেক চালকের একমাত্র ভরসা হয়ে উঠেছে সুনামপুর এলাকা। সেখানে অল্প পরিমাণে তেল পাওয়া গেলেও প্রতি ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ২০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। এতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা চালকদের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না।

এক ভুক্তভোগী বাইকার জানান, “সকাল থেকে কয়েকটি পাম্প ঘুরেও তেল পাইনি। শেষে সুনামপুরে এসে মাত্র ২০০ টাকার তেল পেলাম, যা দিয়ে বেশি দূর যাওয়া সম্ভব নয়।”

অন্যদিকে, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ কম থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করছেন। দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এ অবস্থায় এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে সাধারণ মানুষ ও পরিবহন খাতের ভোগান্তি কমে।

আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার সুনামপুর এলাকায় তীব্র জ্বালানি সংকট: দুর্ভোগে মোটরসাইকেল চালকরা

প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় হঠাৎ করে তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা। জরুরি প্রয়োজনে বের হলেও অনেকেই পর্যাপ্ত তেল না পেয়ে মাঝপথে বিপাকে পড়ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার অধিকাংশ পেট্রোল পাম্পে গত কয়েকদিন ধরে তেল সরবরাহ বন্ধ বা সীমিত রয়েছে। ফলে প্রতিদিনই দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক বাইকার খালি হাতে ফিরছেন। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত দামে খোলা বাজার থেকে তেল কিনছেন।

এ পরিস্থিতিতে অনেক চালকের একমাত্র ভরসা হয়ে উঠেছে সুনামপুর এলাকা। সেখানে অল্প পরিমাণে তেল পাওয়া গেলেও প্রতি ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ২০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। এতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা চালকদের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না।

এক ভুক্তভোগী বাইকার জানান, “সকাল থেকে কয়েকটি পাম্প ঘুরেও তেল পাইনি। শেষে সুনামপুরে এসে মাত্র ২০০ টাকার তেল পেলাম, যা দিয়ে বেশি দূর যাওয়া সম্ভব নয়।”

অন্যদিকে, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ কম থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করছেন। দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এ অবস্থায় এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে সাধারণ মানুষ ও পরিবহন খাতের ভোগান্তি কমে।


অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত