নারায়ণগঞ্জে একটি স্থানীয় পত্রিকার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে। একইসঙ্গে বারবার এক সাংবাদিকের ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশ করায় ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক আলী হোসেন।
সাংবাদিক আলী হোসেন অভিযোগ করে বলেন, একটি স্থানীয় পত্রিকা পরিকল্পিতভাবে তাকে জড়িয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করে যাচ্ছে। তার দাবি, কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়াই তার ছবি ব্যবহার করে ধারাবাহিকভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
তিনি আরও বলেন, “আমি সাংবাদিক মহলের সকল ভাইদের প্রতি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি—সত্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করুন। মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে কারও সম্মানহানি করা কখনোই সাংবাদিকতার নীতি হতে পারে না।”
এদিকে সংশ্লিষ্ট ঘটনার একজন ভিকটিমের বক্তব্যেও উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ভিকটিম জানান, মামলার এজাহারে সাংবাদিক আলী হোসেনের নাম উল্লেখ থাকলেও তিনি ব্যক্তিগতভাবে তাকে চেনেন না বা তার সঙ্গে কোনো পরিচয় নেই।
এমন পরিস্থিতিতে বারবার একই ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশকে চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতা বলে মন্তব্য করেন আলী হোসেন। তিনি বলেন, “আমি চাই না আমার কারণে কোনো সাংবাদিকের মান-সম্মান ক্ষুণ্ণ হোক। কিন্তু যদি এই ধরনের অপপ্রচার বন্ধ না করা হয়, তাহলে আমি বাধ্য হয়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”
সাংবাদিক মহলে এ ঘটনাকে ঘিরে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহলের দাবি, সাংবাদিকতার নীতিমালা মেনে সত্যনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন নিশ্চিত করা জরুরি, অন্যথায় এ ধরনের ঘটনা পেশার মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করবে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে একটি স্থানীয় পত্রিকার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে। একইসঙ্গে বারবার এক সাংবাদিকের ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশ করায় ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক আলী হোসেন।
সাংবাদিক আলী হোসেন অভিযোগ করে বলেন, একটি স্থানীয় পত্রিকা পরিকল্পিতভাবে তাকে জড়িয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করে যাচ্ছে। তার দাবি, কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়াই তার ছবি ব্যবহার করে ধারাবাহিকভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
তিনি আরও বলেন, “আমি সাংবাদিক মহলের সকল ভাইদের প্রতি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি—সত্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করুন। মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে কারও সম্মানহানি করা কখনোই সাংবাদিকতার নীতি হতে পারে না।”
এদিকে সংশ্লিষ্ট ঘটনার একজন ভিকটিমের বক্তব্যেও উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ভিকটিম জানান, মামলার এজাহারে সাংবাদিক আলী হোসেনের নাম উল্লেখ থাকলেও তিনি ব্যক্তিগতভাবে তাকে চেনেন না বা তার সঙ্গে কোনো পরিচয় নেই।
এমন পরিস্থিতিতে বারবার একই ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশকে চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতা বলে মন্তব্য করেন আলী হোসেন। তিনি বলেন, “আমি চাই না আমার কারণে কোনো সাংবাদিকের মান-সম্মান ক্ষুণ্ণ হোক। কিন্তু যদি এই ধরনের অপপ্রচার বন্ধ না করা হয়, তাহলে আমি বাধ্য হয়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”
সাংবাদিক মহলে এ ঘটনাকে ঘিরে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহলের দাবি, সাংবাদিকতার নীতিমালা মেনে সত্যনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন নিশ্চিত করা জরুরি, অন্যথায় এ ধরনের ঘটনা পেশার মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করবে।

আপনার মতামত লিখুন