নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলাকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ ও তার পরিবার।
অভিযোগ অনুযায়ী, স্থানীয় একটি পক্ষের প্ররোচনায় তার বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে উল্লেখিত ঘটনার বর্ণনাকে তিনি ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন। মামলার বাদী দিলশাদের সঙ্গে পূর্ব বিরোধের জের ধরেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে তার অভিযোগ।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকের দাবি, তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আল আমিন যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তদন্তে ঘটনাস্থল হিসেবে উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জবানবন্দি নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।
এদিকে মামলার সাক্ষীদের নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সুলতান মাহমুদ। তার ভাষ্য, যাদের সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তারা অনেকেই ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত নন বা তাকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গেও একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন ঘটনায় নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। অভিযোগগুলো সঠিকভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে প্রকৃত সত্য উদঘাটন সম্ভব হবে বলে তারা মনে করেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলাকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ ও তার পরিবার।
অভিযোগ অনুযায়ী, স্থানীয় একটি পক্ষের প্ররোচনায় তার বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে উল্লেখিত ঘটনার বর্ণনাকে তিনি ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন। মামলার বাদী দিলশাদের সঙ্গে পূর্ব বিরোধের জের ধরেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে তার অভিযোগ।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকের দাবি, তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আল আমিন যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তদন্তে ঘটনাস্থল হিসেবে উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জবানবন্দি নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।
এদিকে মামলার সাক্ষীদের নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সুলতান মাহমুদ। তার ভাষ্য, যাদের সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তারা অনেকেই ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত নন বা তাকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গেও একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন ঘটনায় নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। অভিযোগগুলো সঠিকভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে প্রকৃত সত্য উদঘাটন সম্ভব হবে বলে তারা মনে করেন।

আপনার মতামত লিখুন