নারায়ণগঞ্জে একটি চলমান মামলাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। মামলার এজাহারে “মোহাম্মদ আলী মিয়া” নাম উল্লেখ থাকলেও, একটি স্থানীয় পত্রিকায় ওই নামের পরিবর্তে “সাংবাদিক আলী হোসেন” এর নাম ও ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে।
ভিকটিম মাকসুদা বেগম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এজাহারে যে “সাংবাদিক আলী মিয়া” নাম রয়েছে, তাকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না। এতে করে মামলার বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলায় মোট ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে এজাহারে উল্লেখিত নাম ও পরিচয়ের সঙ্গে মিল না রেখে অন্য ব্যক্তির নাম ও ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশ করায় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
এ বিষয়ে সাংবাদিক আলী হোসেন তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত এবং একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তাকে এ ঘটনার সঙ্গে জড়ানোর চেষ্টা করছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তার দাবি, প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতে ভিন্ন ব্যক্তির ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের বিভিন্ন মহলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হয়। সেটি কোনো অপরাধ নয়। কিন্তু একটি মামলার সঙ্গে জড়িত না থাকা সত্ত্বেও বারবার আমার নাম ও ছবি ব্যবহার করায় আমার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে।”
সাধারণ মানুষের মধ্যেও এ ঘটনায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই বিষয়টিকে “হাস্যকর ও বিভ্রান্তিকর” হিসেবে আখ্যায়িত করে সঠিক তথ্য যাচাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ না করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, মামলার এজাহারে উল্লেখিত আসামিদের নাম-ঠিকানা অনুযায়ী সঠিক তথ্য উপস্থাপন এবং ভিন্ন ব্যক্তির ছবি ব্যবহার থেকে বিরত থাকা জরুরি। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করার দাবি উঠেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে একটি চলমান মামলাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। মামলার এজাহারে “মোহাম্মদ আলী মিয়া” নাম উল্লেখ থাকলেও, একটি স্থানীয় পত্রিকায় ওই নামের পরিবর্তে “সাংবাদিক আলী হোসেন” এর নাম ও ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে।
ভিকটিম মাকসুদা বেগম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এজাহারে যে “সাংবাদিক আলী মিয়া” নাম রয়েছে, তাকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না। এতে করে মামলার বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলায় মোট ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে এজাহারে উল্লেখিত নাম ও পরিচয়ের সঙ্গে মিল না রেখে অন্য ব্যক্তির নাম ও ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশ করায় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
এ বিষয়ে সাংবাদিক আলী হোসেন তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত এবং একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তাকে এ ঘটনার সঙ্গে জড়ানোর চেষ্টা করছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তার দাবি, প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতে ভিন্ন ব্যক্তির ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের বিভিন্ন মহলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হয়। সেটি কোনো অপরাধ নয়। কিন্তু একটি মামলার সঙ্গে জড়িত না থাকা সত্ত্বেও বারবার আমার নাম ও ছবি ব্যবহার করায় আমার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে।”
সাধারণ মানুষের মধ্যেও এ ঘটনায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই বিষয়টিকে “হাস্যকর ও বিভ্রান্তিকর” হিসেবে আখ্যায়িত করে সঠিক তথ্য যাচাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ না করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, মামলার এজাহারে উল্লেখিত আসামিদের নাম-ঠিকানা অনুযায়ী সঠিক তথ্য উপস্থাপন এবং ভিন্ন ব্যক্তির ছবি ব্যবহার থেকে বিরত থাকা জরুরি। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করার দাবি উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন