রকিবুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জে দিন দিন বাড়ছে হামের সংক্রমণ। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় জেলায় আরও ১৭ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০০ জনে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল আমীন।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের মধ্যে ইতোমধ্যে ৭০ জন শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে ৩০ জন শিশু জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের মধ্যে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ কয়েকটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে জেলায় হামের রোগী শনাক্ত হওয়া শুরু হয়। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং বর্তমানে তা শতাধিক ছাড়িয়েছে। আক্রান্তদের অধিকাংশই টিকা না পাওয়া অথবা টিকা নেওয়ার নির্ধারিত বয়সের আগের শিশু।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোতে বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে চালু করা হয়েছে পৃথক আইসোলেশন ব্যবস্থা, যাতে আক্রান্তদের আলাদা রেখে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হামের মতো অত্যন্ত সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং শিশুদের সময়মতো টিকাদান নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি, কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
রকিবুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জে দিন দিন বাড়ছে হামের সংক্রমণ। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় জেলায় আরও ১৭ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০০ জনে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল আমীন।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের মধ্যে ইতোমধ্যে ৭০ জন শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে ৩০ জন শিশু জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের মধ্যে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ কয়েকটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে জেলায় হামের রোগী শনাক্ত হওয়া শুরু হয়। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং বর্তমানে তা শতাধিক ছাড়িয়েছে। আক্রান্তদের অধিকাংশই টিকা না পাওয়া অথবা টিকা নেওয়ার নির্ধারিত বয়সের আগের শিশু।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোতে বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে চালু করা হয়েছে পৃথক আইসোলেশন ব্যবস্থা, যাতে আক্রান্তদের আলাদা রেখে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হামের মতো অত্যন্ত সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং শিশুদের সময়মতো টিকাদান নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি, কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন