নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন উত্তর নরসিংহপুর এলাকায় শিশু সৈকত ইসলাম (৭) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত এক কিশোরকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে খেলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় সৈকত ইসলাম, সে স্থানীয় বাসিন্দা মো. রঞ্জুর ছেলে। পরদিন ৬ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর নরসিংহপুর এলাকায় হাজী হাশেম স্পিনিং মিলের পাশের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মরদেহের মাথায় ইট দিয়ে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. সজিব মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শামীম হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ দ্রুত তদন্ত চালিয়ে নরসিংহপুর এলাকা থেকে মো. জীবন মিয়া (১৫+) নামের এক কিশোরকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার দায় স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, আটক কিশোর প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে যে, ঘটনার সময় সে শিশুটিকে জোরপূর্বক নির্যাতনের চেষ্টা করে। এ সময় ভিকটিম বিষয়টি পরিবারকে জানাবে বলে জানালে তাকে ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে ফতুল্লা থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন উত্তর নরসিংহপুর এলাকায় শিশু সৈকত ইসলাম (৭) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত এক কিশোরকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে খেলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় সৈকত ইসলাম, সে স্থানীয় বাসিন্দা মো. রঞ্জুর ছেলে। পরদিন ৬ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর নরসিংহপুর এলাকায় হাজী হাশেম স্পিনিং মিলের পাশের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মরদেহের মাথায় ইট দিয়ে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. সজিব মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শামীম হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ দ্রুত তদন্ত চালিয়ে নরসিংহপুর এলাকা থেকে মো. জীবন মিয়া (১৫+) নামের এক কিশোরকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার দায় স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, আটক কিশোর প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে যে, ঘটনার সময় সে শিশুটিকে জোরপূর্বক নির্যাতনের চেষ্টা করে। এ সময় ভিকটিম বিষয়টি পরিবারকে জানাবে বলে জানালে তাকে ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে ফতুল্লা থানা পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন