নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানার প্রধান ফটকের পাশেই একটি কম্পিউটার ও অনলাইন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের আড়ালে প্রতারণার একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের কাছ থেকে। বাইরে থেকে সাধারণ সেবা কেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হলেও, ভেতরে প্রভাব খাটিয়ে অর্থ আদায়ের নানা কৌশল প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দোকানটির মালিক শহিদ নিজেকে কখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, আবার কখনো উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করেন। থানায় বিভিন্ন কাজে আসা মানুষদের লক্ষ্য করে প্রথমে সহানুভূতি প্রকাশ করে তাদের আস্থা অর্জন করা হয়, এরপর ‘সমস্যা সমাধান’-এর আশ্বাস দিয়ে দোকানের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, দোকানের অভ্যন্তরে একটি আলাদা কক্ষে বসে এক ধরনের অনানুষ্ঠানিক ‘বিচার কার্যক্রম’ পরিচালনা করা হয়। সেখানে আইনি সহায়তার আশ্বাস দিয়ে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত—উভয় পক্ষের কাছ থেকেই অর্থ আদায় করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, কৌশলে অভিযোগকারীর কাছ থেকে প্রতিপক্ষের তথ্য সংগ্রহ করে পরে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। একদিকে মামলা ও গ্রেফতারের ভয় দেখানো, অন্যদিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে উভয় পক্ষ থেকেই অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয়।
সম্প্রতি বিভিন্ন সংবেদনশীল বিষয়কে কেন্দ্র করে এই কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এতে নিরীহ মানুষও হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, থানার নিকটবর্তী অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আত্মবিশ্বাসী আচরণের কারণে অনেকেই তাকে প্রকৃত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মনে করে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। ফলে প্রতারণার শিকার হওয়ার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তিও প্রশ্নের মুখে পড়ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, “তার কথাবার্তা ও ব্যবহারে আমরা বিশ্বাস করেছিলাম তিনি প্রভাবশালী কেউ। পরে বুঝতে পারি, আমরা প্রতারণার শিকার হয়েছি।”
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানার প্রধান ফটকের পাশেই একটি কম্পিউটার ও অনলাইন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের আড়ালে প্রতারণার একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের কাছ থেকে। বাইরে থেকে সাধারণ সেবা কেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হলেও, ভেতরে প্রভাব খাটিয়ে অর্থ আদায়ের নানা কৌশল প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দোকানটির মালিক শহিদ নিজেকে কখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, আবার কখনো উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করেন। থানায় বিভিন্ন কাজে আসা মানুষদের লক্ষ্য করে প্রথমে সহানুভূতি প্রকাশ করে তাদের আস্থা অর্জন করা হয়, এরপর ‘সমস্যা সমাধান’-এর আশ্বাস দিয়ে দোকানের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, দোকানের অভ্যন্তরে একটি আলাদা কক্ষে বসে এক ধরনের অনানুষ্ঠানিক ‘বিচার কার্যক্রম’ পরিচালনা করা হয়। সেখানে আইনি সহায়তার আশ্বাস দিয়ে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত—উভয় পক্ষের কাছ থেকেই অর্থ আদায় করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, কৌশলে অভিযোগকারীর কাছ থেকে প্রতিপক্ষের তথ্য সংগ্রহ করে পরে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। একদিকে মামলা ও গ্রেফতারের ভয় দেখানো, অন্যদিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে উভয় পক্ষ থেকেই অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয়।
সম্প্রতি বিভিন্ন সংবেদনশীল বিষয়কে কেন্দ্র করে এই কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এতে নিরীহ মানুষও হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, থানার নিকটবর্তী অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আত্মবিশ্বাসী আচরণের কারণে অনেকেই তাকে প্রকৃত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মনে করে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। ফলে প্রতারণার শিকার হওয়ার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তিও প্রশ্নের মুখে পড়ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, “তার কথাবার্তা ও ব্যবহারে আমরা বিশ্বাস করেছিলাম তিনি প্রভাবশালী কেউ। পরে বুঝতে পারি, আমরা প্রতারণার শিকার হয়েছি।”
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন