বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল হয়ে চারদিন ধরে ভাসমান একটি মাছ ধরার ট্রলারসহ ১৫ জন জেলেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
নৌবাহিনী জানায়, সমুদ্রসীমার সুরক্ষা ও সুশাসন বজায় রাখতে নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনার অংশ হিসেবে গত ৩১ মার্চ বিকেলে একটি টহল দল সেন্টমার্টিন লাইট হাউস থেকে প্রায় ৬ নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে একটি ট্রলারকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রলারটি আরোহীসহ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত জেলেরা জানান, গত ২৭ মার্চ ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেলে তারা দিকভ্রান্ত হয়ে গভীর সমুদ্রে ভাসতে থাকেন। একপর্যায়ে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিলে তারা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
নৌবাহিনীর সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে নৌবাহিনী ফরোয়ার্ড বেইজ সেন্টমার্টিনে নিয়ে যান। সেখানে জেলেদের খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। বর্তমানে সবাই সুস্থ রয়েছেন এবং নিরাপদে আছেন। পরে আজ তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
নৌবাহিনী আরও জানায়, দেশের সমুদ্রসীমায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জেলেদের জীবন-জীবিকা রক্ষা এবং ব্লু-ইকোনমির বিকাশে তারা নিয়মিত টহলসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এই উদ্ধার অভিযান নৌবাহিনীর মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল হয়ে চারদিন ধরে ভাসমান একটি মাছ ধরার ট্রলারসহ ১৫ জন জেলেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
নৌবাহিনী জানায়, সমুদ্রসীমার সুরক্ষা ও সুশাসন বজায় রাখতে নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনার অংশ হিসেবে গত ৩১ মার্চ বিকেলে একটি টহল দল সেন্টমার্টিন লাইট হাউস থেকে প্রায় ৬ নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে একটি ট্রলারকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রলারটি আরোহীসহ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত জেলেরা জানান, গত ২৭ মার্চ ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেলে তারা দিকভ্রান্ত হয়ে গভীর সমুদ্রে ভাসতে থাকেন। একপর্যায়ে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিলে তারা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
নৌবাহিনীর সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে নৌবাহিনী ফরোয়ার্ড বেইজ সেন্টমার্টিনে নিয়ে যান। সেখানে জেলেদের খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। বর্তমানে সবাই সুস্থ রয়েছেন এবং নিরাপদে আছেন। পরে আজ তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
নৌবাহিনী আরও জানায়, দেশের সমুদ্রসীমায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জেলেদের জীবন-জীবিকা রক্ষা এবং ব্লু-ইকোনমির বিকাশে তারা নিয়মিত টহলসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এই উদ্ধার অভিযান নৌবাহিনীর মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

আপনার মতামত লিখুন