জাতীয় বিষয়ে, জাতীয় স্বার্থে কারো সঙ্গে আপস করা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘সরকারি দল এ বিষয়ে অনড় থাকলে আমরা তাদের পাশে থেকে শক্তি জোগাব। আর যদি তারা এখান থেকে বিচ্যুত হয়, তাদের সোজা করার চেষ্টা করব। না হলে প্রতিরোধ গড়ে তুলব।
গতকাল শনিবার রাজধানীর লেডিস ক্লাবে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে সাংবাদিকদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ প্রমুখ।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আজ রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ—সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে এই ইফতারের আয়োজন করা হয়েছে। তাঁর মতে, রাষ্ট্রের বাকি তিনটি স্তম্ভকে সোজা রাখার ভ্যানগার্ড হিসেবে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে গত ১৫ বছরে ফ্যাসিবাদের কবলে পড়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে জাতির প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।
তিনি বলেন, গত ফ্যাসিবাদী সরকার সাংবাদিকদের ওপর নানাভাবে নির্যাতন-নিপীড়ন চালিয়েছে। যেসব সাংবাদিক সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলেছেন, তাঁদের কণ্ঠ স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তাই তিনি বলেন, ‘আমরা ফ্যাসিবাদ থেকে আংশিক নয়, পূর্ণ মুক্তি চাই।
কারণ ফ্যাসিবাদ কখনো জাতিকে ভালো কিছু দিতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা জাতির বিবেক। আপনারা আপনাদের বিবেক অনুযায়ী চলবেন। আমাদের মৃত্যু একবারই হবে। লড়াই করতে হবে বীরের মতো।
মাঝখানে কোনো আপস নেই।’
তিনি বলেন, বিরোধী দলে থাকায় তাঁরা চোখ খোলা রাখবেন এবং সাংবাদিকদেরও সতর্ক থাকার আহবান জানান। তাঁর ভাষ্য, সাংবাদিকরা ঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে রাষ্ট্রের বাকি তিন অঙ্গ সোজা হয়ে চলতে বাধ্য হবে।
এ সময় তিনি সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজীকে স্মরণ করে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, ‘মরহুম রুহুল আমিন গাজী আজীবন সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মানুষের অধিকারের পক্ষে লড়াই করেছেন। তাঁকেও নিগৃহীত হয়ে কারাগারে যেতে হয়েছিল।’ তিনি আরো বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে আদালত প্রাঙ্গণেও সম্পাদকদের ওপর রক্তাক্ত হামলার ঘটনা ঘটেছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিরোধী দল হিসেবে আমরা আপনাদের কণ্ঠের পাহারাদারি করার নিশ্চয়তা দিচ্ছি। তবে এই নিশ্চয়তা সরকারি দলকেও দিতে হবে।’
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সংবাদমাধ্যমের কাজ সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলা। কিন্তু বিগত ১৭ বছরে সাংবাদিকরা তা করতে পারেননি। তিনি বলেন, মাহমুদুর রহমানসহ অনেক সাংবাদিক সে সময় নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। যেভাবে বিষয়গুলো সামনে আসা দরকার ছিল বা যেভাবে প্রতিবাদ হওয়া দরকার ছিল, তা দেখা যায়নি।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকদের একটি বড় অংশ সে সময় দলদাসে পরিণত হয়েছিল। যখন নির্বিচারে ছাত্রদের গুলি করে হত্যা করা হচ্ছিল এবং কোমল শিশুরা রাস্তায় পড়ে ছিল, তখন কিছু দলদাস সাংবাদিক তাদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে মানববন্ধন করেছেন। ‘এদের আমি সাংবাদিক বলতে রাজি নই’—বলেন তিনি। ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর কিছু সাংবাদিককেও দেশ ছাড়তে হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের জীবন আর ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। একইসঙ্গে তিনি সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার বিচার দাবি করেন এবং নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করেন।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও কালের কণ্ঠের সম্পাদক হাসান হাফিজ বলেন, ‘আল্লাহর কাছে শুকরিয়া, আমরা একটি স্বৈরাচারের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে পেরেছি; অনেক প্রাণের বিনিময়ে—যেখানে সাংবাদিকদের রক্তও মিশে আছে। আমরা যেন তাদের সঙ্গে বেঈমানি না করি।’
তিনি বলেন, পরাজিত অপশক্তিকে অবহেলা করা যাবে না; তারা দেশে-বিদেশে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহবান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন নয়া দিগন্ত পত্রিকার সম্পাদক সালাহউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ প্রমুখ নেতা।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন; কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি যথাক্রমে ড. আব্দুল মান্নান ও মুহাম্মদ শামছুর রহমান; দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক আজম মীর শাহিদুল আহসান; বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এম আবদুল্লাহ ও এলাহী নেওয়াজ খান সাজু; বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ; ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সরদার ফরিদ আহমেদ ও বাকের হোসাইন; ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম; দ্য নিউ নেশনের সম্পাদক মোকাররম হোসেন; বাংলানিউজের সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু; ঢাকা মেইলের নির্বাহী সম্পাদক হারুন জামিল; ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি মুক্তাদির অনিক, সেক্রেটারি জাওহার ইকবাল; এটিএন নিউজের সিএনই মাসুদুল হক; নয়া দিগন্তের নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলী; ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ; দৈনিক ইনকিলাবের নির্বাহী সম্পাদক ফাহিমা বাহাউদ্দীন; সাপ্তাহিক সোনার বাংলার বার্তা সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ ভূঁইয়া প্রমুখ।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
জাতীয় বিষয়ে, জাতীয় স্বার্থে কারো সঙ্গে আপস করা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘সরকারি দল এ বিষয়ে অনড় থাকলে আমরা তাদের পাশে থেকে শক্তি জোগাব। আর যদি তারা এখান থেকে বিচ্যুত হয়, তাদের সোজা করার চেষ্টা করব। না হলে প্রতিরোধ গড়ে তুলব।
গতকাল শনিবার রাজধানীর লেডিস ক্লাবে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে সাংবাদিকদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ প্রমুখ।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আজ রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ—সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে এই ইফতারের আয়োজন করা হয়েছে। তাঁর মতে, রাষ্ট্রের বাকি তিনটি স্তম্ভকে সোজা রাখার ভ্যানগার্ড হিসেবে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে গত ১৫ বছরে ফ্যাসিবাদের কবলে পড়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে জাতির প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।
তিনি বলেন, গত ফ্যাসিবাদী সরকার সাংবাদিকদের ওপর নানাভাবে নির্যাতন-নিপীড়ন চালিয়েছে। যেসব সাংবাদিক সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলেছেন, তাঁদের কণ্ঠ স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তাই তিনি বলেন, ‘আমরা ফ্যাসিবাদ থেকে আংশিক নয়, পূর্ণ মুক্তি চাই।
কারণ ফ্যাসিবাদ কখনো জাতিকে ভালো কিছু দিতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা জাতির বিবেক। আপনারা আপনাদের বিবেক অনুযায়ী চলবেন। আমাদের মৃত্যু একবারই হবে। লড়াই করতে হবে বীরের মতো।
মাঝখানে কোনো আপস নেই।’
তিনি বলেন, বিরোধী দলে থাকায় তাঁরা চোখ খোলা রাখবেন এবং সাংবাদিকদেরও সতর্ক থাকার আহবান জানান। তাঁর ভাষ্য, সাংবাদিকরা ঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে রাষ্ট্রের বাকি তিন অঙ্গ সোজা হয়ে চলতে বাধ্য হবে।
এ সময় তিনি সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজীকে স্মরণ করে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, ‘মরহুম রুহুল আমিন গাজী আজীবন সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মানুষের অধিকারের পক্ষে লড়াই করেছেন। তাঁকেও নিগৃহীত হয়ে কারাগারে যেতে হয়েছিল।’ তিনি আরো বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে আদালত প্রাঙ্গণেও সম্পাদকদের ওপর রক্তাক্ত হামলার ঘটনা ঘটেছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিরোধী দল হিসেবে আমরা আপনাদের কণ্ঠের পাহারাদারি করার নিশ্চয়তা দিচ্ছি। তবে এই নিশ্চয়তা সরকারি দলকেও দিতে হবে।’
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সংবাদমাধ্যমের কাজ সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলা। কিন্তু বিগত ১৭ বছরে সাংবাদিকরা তা করতে পারেননি। তিনি বলেন, মাহমুদুর রহমানসহ অনেক সাংবাদিক সে সময় নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। যেভাবে বিষয়গুলো সামনে আসা দরকার ছিল বা যেভাবে প্রতিবাদ হওয়া দরকার ছিল, তা দেখা যায়নি।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকদের একটি বড় অংশ সে সময় দলদাসে পরিণত হয়েছিল। যখন নির্বিচারে ছাত্রদের গুলি করে হত্যা করা হচ্ছিল এবং কোমল শিশুরা রাস্তায় পড়ে ছিল, তখন কিছু দলদাস সাংবাদিক তাদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে মানববন্ধন করেছেন। ‘এদের আমি সাংবাদিক বলতে রাজি নই’—বলেন তিনি। ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর কিছু সাংবাদিককেও দেশ ছাড়তে হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের জীবন আর ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। একইসঙ্গে তিনি সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার বিচার দাবি করেন এবং নবম ও দশম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করেন।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও কালের কণ্ঠের সম্পাদক হাসান হাফিজ বলেন, ‘আল্লাহর কাছে শুকরিয়া, আমরা একটি স্বৈরাচারের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে পেরেছি; অনেক প্রাণের বিনিময়ে—যেখানে সাংবাদিকদের রক্তও মিশে আছে। আমরা যেন তাদের সঙ্গে বেঈমানি না করি।’
তিনি বলেন, পরাজিত অপশক্তিকে অবহেলা করা যাবে না; তারা দেশে-বিদেশে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহবান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন নয়া দিগন্ত পত্রিকার সম্পাদক সালাহউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ প্রমুখ নেতা।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন; কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি যথাক্রমে ড. আব্দুল মান্নান ও মুহাম্মদ শামছুর রহমান; দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক আজম মীর শাহিদুল আহসান; বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এম আবদুল্লাহ ও এলাহী নেওয়াজ খান সাজু; বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ; ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সরদার ফরিদ আহমেদ ও বাকের হোসাইন; ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম; দ্য নিউ নেশনের সম্পাদক মোকাররম হোসেন; বাংলানিউজের সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু; ঢাকা মেইলের নির্বাহী সম্পাদক হারুন জামিল; ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি মুক্তাদির অনিক, সেক্রেটারি জাওহার ইকবাল; এটিএন নিউজের সিএনই মাসুদুল হক; নয়া দিগন্তের নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলী; ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ; দৈনিক ইনকিলাবের নির্বাহী সম্পাদক ফাহিমা বাহাউদ্দীন; সাপ্তাহিক সোনার বাংলার বার্তা সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ ভূঁইয়া প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন