গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকায় চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুর পর বাড়ি থেকে উচ্ছেদ ও জমি জবর দখল করতে চাচাতো ছোট ভাইয়ের বউ ও ভাতিজিকে কুপিয়ে আহত করে ভাসুর ও তার স্ত্রী সন্তানরা।
সুত্র মতে জানা যায় যে গাজীপুরের কাশিমপুর থানার সরুপাইতলী আবু হানিফের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী কাকলী আক্তার (৩৮), মেয়ে ও ছেলে সন্তান নিয়ে বসবাস করে আসছিল। হানিফের মৃত্যুর পর হইতে চাচাতো ভাই ও তার ছেলে তাদের জমি ও বাড়ী দখল করার পায়তারা করেন। হানিফের মৃত্যুর পর থেকে তার স্ত্রী কাকলী আক্তার (৩৮) কে বিভিন্ন সময় কু- প্রস্তাব দেয় বলে ভুক্তভোগী জানায়। তার প্রতিবাদ করায় বিগত ২০/১০ অক্টোবর ২০২৩ ইং বিকাল অনুমানিক ০৩.৪০ ঘটিকার সময় চাচাতো ভাই ও তার পরিবারগন কাশিমপুর থানাধীন সরুপাইতলী সাকিনস্থ বাড়ীতে কাকলী ও তার মেয়ে মোছাঃ মিম আক্তার (১৯)কে, তাহাদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র এবং লাঠি-সোঠা নিয়ে ঘর-বাড়ী জোরপূর্বক দখল করার উদ্দেশ্যে অনধিকার প্রবেশ করে। তখন কাকলী ও তার মেয়ে বাধা প্রদান করিলে মোঃ মোজাম (৫৫), পিতা-মৃত আজিজুল্লাহ, মোঃ নাজমুল (২৯), পিতা- মোঃ মোজাম, নাজমা বেগম (৫০), স্বামী-মোঃ মোজাম, নাছিমা আক্তার (৩১), পিতা-মোঃ মোজামগন হাতে থাকা লাঠি ধারালো অস্ত্রে দ্বারা তাদের আঘাত করে। এক পর্যায়ে নাজমুল (২৯) এর হাতে থাকা দা দিয়ে উপুর্যপুরি কোপ মারিলে উক্ত কোপে মেয়ে মিম আক্তারের মাথার সামনের ডান পাশে লাগিয়া গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম হয় এবং উক্ত কোপ তাহার ডান হাত দিয়া ফিরাইলে তার হাতের হাড় কেটে যায়।
অন্যদিকে কাকলী আক্তারের মাথা লক্ষ্য করিয়া কোপ মারিলে মাথার উপরের ডান পাশে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয় এবং মাথার খুলি বের হয়ে যায়। তখন কাকলী মাটিতে পড়ে গেলে মোঃ মোজাম হত্যার উদ্দেশ্যে তাহার হাতে থাকা ধারালো দা দিয়া উপুর্যপরি কোপ মারিলে উক্ত কোপ তাহার ডান হাতের বৃদ্ধাসুলি ও তর্জনী আঙ্গুলে দুইটি আঙ্গুলের মাথা কেটে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ব্যপারে কাশিমপুর থানায় কাকলী আক্তারের বাবা বাদি হয়ে মামলা নং ২৫/ ২৩ অক্টোবর/২৩ ইং রুজু করেন।
মামলার পরও জমি জবর দখলের চেষ্টা এবং মামলা উঠিয়ে নেওয়ার হুমকি ধামকি দিচ্ছেন কাকলী আক্তারকে তারই জের ধরে গত ৫ ডিসেম্বর আবারও ওই ঘটনার পুন বৃত্তি ঘটনা ঘটায় । কাকলী আক্তার এই ঘটনার পর থেকে দীর্ঘদিন বাবার বাড়িতে চার সন্তান নিয়ে বসবাস করেন। ছেলে মেয়েদের লেখা পড়ার খরচ করার লক্ষে তার স্বামীর দেওয়া জমি থেকে ৫ শতাংশ জমি বিক্রি করার জন্য পাশের বাড়ির রিপন নামের এক ব্যাক্তিকে ডেকে এনে এবং জমিতে বাউন্ডারি করতে হবে বলে আমিন নিয়ে এসে আমিন জমি মাপতে গেলে পুনরায় হামলা করে এবং আমিনের উপর আক্রমণ করেন। এ সময় স্থানীয় সাংবাদিক ও থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন। ৫ নবেম্বর কাকলী ও তার মেয়ের উপর হামলা করার পর । মোজামের মেয়ে মোছাঃ নাছিমা আক্তার (৩২)একটা নাটক সাজিয়ে নিজেরাই হাত কেটে কাশেমপুর থানায় মিথ্যা মামলা করেন এলাকার লোকসহ কাকলী আক্তারের নামে । বিগত ২৭ নভেম্বরে কাকলী আক্তার বাসায় থাকা আসব্যবপত্র আনার পথে আশুলিয়া থানাধীন দিয়াখালি তাজপুর এলাকায় আবারো তারা কাকলী আক্তারের উপর আক্রমণ করেন । এ বিষয়ে গত ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং আশুলিয়া থানায় একটা সাধারণ ডায়েরি করেন কাকলী আক্তার যার তদন্ত চলমান রয়েছে।
উক্ত বিষয়ে কাকলী আক্তারের পিতা জানায় আমার জামাইয়ের মৃত্যুর আগে আমার মেয়ে ও নাতি নাতনিদের উপর অত্যাচার করতে পারেনি, জামাইয়ের মৃত্যুর পরেই শুরু হয়েছে অমানুষিক নির্যাতন । অত্যাচারে আমার মেয়ে ও নাতি নাতনিরা ঐ বাড়িতে বসবাস করতে পারছেন না।
এ বিষয়ে কাকলী আক্তার জানায় আমার স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই আমার চাচা শশুরের ছেলে মোজাম ও তার স্ত্রী ছেলে মেয়েদের অত্যাচারে আমার সন্তানদেরকে নিয়ে বাড়িতে বসবাস করতে পারতেছি না। কথায় কথায় আমাদের আক্রমণ করে। ভয়ে আমি দীর্ঘদিন আমার বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছি।
উক্ত বিষয়ে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে জোর দাবি আমি আমার সন্তাদের নিয়ে আমার স্বামীর বাড়িতে বসবাস করতে পারি সে ব্যবস্তা করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকায় চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুর পর বাড়ি থেকে উচ্ছেদ ও জমি জবর দখল করতে চাচাতো ছোট ভাইয়ের বউ ও ভাতিজিকে কুপিয়ে আহত করে ভাসুর ও তার স্ত্রী সন্তানরা।
সুত্র মতে জানা যায় যে গাজীপুরের কাশিমপুর থানার সরুপাইতলী আবু হানিফের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী কাকলী আক্তার (৩৮), মেয়ে ও ছেলে সন্তান নিয়ে বসবাস করে আসছিল। হানিফের মৃত্যুর পর হইতে চাচাতো ভাই ও তার ছেলে তাদের জমি ও বাড়ী দখল করার পায়তারা করেন। হানিফের মৃত্যুর পর থেকে তার স্ত্রী কাকলী আক্তার (৩৮) কে বিভিন্ন সময় কু- প্রস্তাব দেয় বলে ভুক্তভোগী জানায়। তার প্রতিবাদ করায় বিগত ২০/১০ অক্টোবর ২০২৩ ইং বিকাল অনুমানিক ০৩.৪০ ঘটিকার সময় চাচাতো ভাই ও তার পরিবারগন কাশিমপুর থানাধীন সরুপাইতলী সাকিনস্থ বাড়ীতে কাকলী ও তার মেয়ে মোছাঃ মিম আক্তার (১৯)কে, তাহাদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র এবং লাঠি-সোঠা নিয়ে ঘর-বাড়ী জোরপূর্বক দখল করার উদ্দেশ্যে অনধিকার প্রবেশ করে। তখন কাকলী ও তার মেয়ে বাধা প্রদান করিলে মোঃ মোজাম (৫৫), পিতা-মৃত আজিজুল্লাহ, মোঃ নাজমুল (২৯), পিতা- মোঃ মোজাম, নাজমা বেগম (৫০), স্বামী-মোঃ মোজাম, নাছিমা আক্তার (৩১), পিতা-মোঃ মোজামগন হাতে থাকা লাঠি ধারালো অস্ত্রে দ্বারা তাদের আঘাত করে। এক পর্যায়ে নাজমুল (২৯) এর হাতে থাকা দা দিয়ে উপুর্যপুরি কোপ মারিলে উক্ত কোপে মেয়ে মিম আক্তারের মাথার সামনের ডান পাশে লাগিয়া গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম হয় এবং উক্ত কোপ তাহার ডান হাত দিয়া ফিরাইলে তার হাতের হাড় কেটে যায়।
অন্যদিকে কাকলী আক্তারের মাথা লক্ষ্য করিয়া কোপ মারিলে মাথার উপরের ডান পাশে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয় এবং মাথার খুলি বের হয়ে যায়। তখন কাকলী মাটিতে পড়ে গেলে মোঃ মোজাম হত্যার উদ্দেশ্যে তাহার হাতে থাকা ধারালো দা দিয়া উপুর্যপরি কোপ মারিলে উক্ত কোপ তাহার ডান হাতের বৃদ্ধাসুলি ও তর্জনী আঙ্গুলে দুইটি আঙ্গুলের মাথা কেটে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ব্যপারে কাশিমপুর থানায় কাকলী আক্তারের বাবা বাদি হয়ে মামলা নং ২৫/ ২৩ অক্টোবর/২৩ ইং রুজু করেন।
মামলার পরও জমি জবর দখলের চেষ্টা এবং মামলা উঠিয়ে নেওয়ার হুমকি ধামকি দিচ্ছেন কাকলী আক্তারকে তারই জের ধরে গত ৫ ডিসেম্বর আবারও ওই ঘটনার পুন বৃত্তি ঘটনা ঘটায় । কাকলী আক্তার এই ঘটনার পর থেকে দীর্ঘদিন বাবার বাড়িতে চার সন্তান নিয়ে বসবাস করেন। ছেলে মেয়েদের লেখা পড়ার খরচ করার লক্ষে তার স্বামীর দেওয়া জমি থেকে ৫ শতাংশ জমি বিক্রি করার জন্য পাশের বাড়ির রিপন নামের এক ব্যাক্তিকে ডেকে এনে এবং জমিতে বাউন্ডারি করতে হবে বলে আমিন নিয়ে এসে আমিন জমি মাপতে গেলে পুনরায় হামলা করে এবং আমিনের উপর আক্রমণ করেন। এ সময় স্থানীয় সাংবাদিক ও থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন। ৫ নবেম্বর কাকলী ও তার মেয়ের উপর হামলা করার পর । মোজামের মেয়ে মোছাঃ নাছিমা আক্তার (৩২)একটা নাটক সাজিয়ে নিজেরাই হাত কেটে কাশেমপুর থানায় মিথ্যা মামলা করেন এলাকার লোকসহ কাকলী আক্তারের নামে । বিগত ২৭ নভেম্বরে কাকলী আক্তার বাসায় থাকা আসব্যবপত্র আনার পথে আশুলিয়া থানাধীন দিয়াখালি তাজপুর এলাকায় আবারো তারা কাকলী আক্তারের উপর আক্রমণ করেন । এ বিষয়ে গত ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং আশুলিয়া থানায় একটা সাধারণ ডায়েরি করেন কাকলী আক্তার যার তদন্ত চলমান রয়েছে।
উক্ত বিষয়ে কাকলী আক্তারের পিতা জানায় আমার জামাইয়ের মৃত্যুর আগে আমার মেয়ে ও নাতি নাতনিদের উপর অত্যাচার করতে পারেনি, জামাইয়ের মৃত্যুর পরেই শুরু হয়েছে অমানুষিক নির্যাতন । অত্যাচারে আমার মেয়ে ও নাতি নাতনিরা ঐ বাড়িতে বসবাস করতে পারছেন না।
এ বিষয়ে কাকলী আক্তার জানায় আমার স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই আমার চাচা শশুরের ছেলে মোজাম ও তার স্ত্রী ছেলে মেয়েদের অত্যাচারে আমার সন্তানদেরকে নিয়ে বাড়িতে বসবাস করতে পারতেছি না। কথায় কথায় আমাদের আক্রমণ করে। ভয়ে আমি দীর্ঘদিন আমার বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছি।
উক্ত বিষয়ে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে জোর দাবি আমি আমার সন্তাদের নিয়ে আমার স্বামীর বাড়িতে বসবাস করতে পারি সে ব্যবস্তা করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

আপনার মতামত লিখুন