ঢাকা, বাংলাদেশ    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
অগ্নিশিখা

লাল ও হলুদ কার্ডে মেসিকে বিদায়


প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

লাল ও হলুদ কার্ডে মেসিকে বিদায়

অগ্নিশিখা অনলাইন

ফুটবল মাঠে রেফারি যখন পকেট থেকে লাল কিংবা হলুদ কার্ড বের করেন, তার অর্থ সাধারণত ফুটবলারকে ফাউল বা অপরাধের শাস্তি দেওয়া। তবে লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক বিদায়ী ম্যাচে ঘটে গেল সম্পূর্ণ এক ব্যতিক্রমী ও ঐতিহাসিক ঘটনা। শেষ বাঁশি বাজার পর রেফারির পকেট থেকে বের হওয়া কার্ড দুটি অপরাধের শাস্তি নয়, বরং সম্মাননা ও স্মারক হয়ে শোভা পেল আর্জেন্টাইন মহাতারকার হাতে।

বুয়েনস আইরেসের ঐতিহাসিক মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জয় পাওয়ার পর মাঠের সব আলো তখন আটবারের ব্যালন ডি'অর জয়ী মেসির দিকে। ঠিক সেই মুহূর্তে ম্যাচের রেফারি ফার্নান্দো ভেখার এগিয়ে যান আর্জেন্টাইন অধিনায়কের দিকে। তার হাতে ছিল একটি বিশেষ উপহারের সেট—একটি লাল ও একটি হলুদ কার্ড।

তবে এটি মোটেও কোনো শাস্তির কার্ড ছিল না। বিশ্ব ফুটবলে মেসির অবিশ্বাস্য অবদান এবং তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচের স্মৃতিকে অমর করে রাখতেই সম্মান জানিয়ে কার্ড দুটির একটি সেট মেসির হাতে তুলে দেন রেফারি ভেখার। রেফারির এই অনন্য স্মারকটি হেসে গ্রহণ করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। শুধু কার্ডই নয়, বিদায়ী ম্যাচের অফিশিয়াল বলটিও উপহার হিসেবে মেসির হাতে তুলে দেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ২০৮তম ও শেষ ম্যাচেও ফুটবল জাদুর চূড়ান্ত রূপ দেখিয়েছেন মেসি। বেনিনকে ৩-০ গোলে হারানোর ম্যাচে দলের তিনটি গোলেই সরাসরি অবদান ছিল তার। ৪৮ মিনিটে নিকোলাস ওতামেন্দি ও ৬১ মিনিটে তরুণ নিকো পাজকে দিয়ে দুটি চোখধাঁধানো গোল করান। আর ৭১তম মিনিটে নিখুঁত পেনাল্টি শটে বেনিনের জাল কাঁপিয়ে নিজের ১২৬তম আন্তর্জাতিক গোল পূর্ণ করেন।

বিদায়ী রাতে ১ গোল ও ২ অ্যাসিস্টের মাধ্যমে আকাশী-নীল জার্সিতে নিজের ক্যারিয়ার ইতি টানলেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি। আর্জেন্টিনার হয়ে ২০৮ ম্যাচে তার মোট পরিসংখ্যান দাঁড়াল ১২৬টি গোল ও ৭০টি অ্যাসিস্ট। রেফারির দেওয়া স্মারক কার্ড আর ম্যাচের বলটি হয়ে থাকল বিশ্ব ফুটবলের এই রাজপুত্রের শেষ রাতের দারুণ দুটি স্মারক।

আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


লাল ও হলুদ কার্ডে মেসিকে বিদায়

প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

অগ্নিশিখা অনলাইন

ফুটবল মাঠে রেফারি যখন পকেট থেকে লাল কিংবা হলুদ কার্ড বের করেন, তার অর্থ সাধারণত ফুটবলারকে ফাউল বা অপরাধের শাস্তি দেওয়া। তবে লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক বিদায়ী ম্যাচে ঘটে গেল সম্পূর্ণ এক ব্যতিক্রমী ও ঐতিহাসিক ঘটনা। শেষ বাঁশি বাজার পর রেফারির পকেট থেকে বের হওয়া কার্ড দুটি অপরাধের শাস্তি নয়, বরং সম্মাননা ও স্মারক হয়ে শোভা পেল আর্জেন্টাইন মহাতারকার হাতে।

বুয়েনস আইরেসের ঐতিহাসিক মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জয় পাওয়ার পর মাঠের সব আলো তখন আটবারের ব্যালন ডি'অর জয়ী মেসির দিকে। ঠিক সেই মুহূর্তে ম্যাচের রেফারি ফার্নান্দো ভেখার এগিয়ে যান আর্জেন্টাইন অধিনায়কের দিকে। তার হাতে ছিল একটি বিশেষ উপহারের সেট—একটি লাল ও একটি হলুদ কার্ড।

তবে এটি মোটেও কোনো শাস্তির কার্ড ছিল না। বিশ্ব ফুটবলে মেসির অবিশ্বাস্য অবদান এবং তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচের স্মৃতিকে অমর করে রাখতেই সম্মান জানিয়ে কার্ড দুটির একটি সেট মেসির হাতে তুলে দেন রেফারি ভেখার। রেফারির এই অনন্য স্মারকটি হেসে গ্রহণ করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। শুধু কার্ডই নয়, বিদায়ী ম্যাচের অফিশিয়াল বলটিও উপহার হিসেবে মেসির হাতে তুলে দেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ২০৮তম ও শেষ ম্যাচেও ফুটবল জাদুর চূড়ান্ত রূপ দেখিয়েছেন মেসি। বেনিনকে ৩-০ গোলে হারানোর ম্যাচে দলের তিনটি গোলেই সরাসরি অবদান ছিল তার। ৪৮ মিনিটে নিকোলাস ওতামেন্দি ও ৬১ মিনিটে তরুণ নিকো পাজকে দিয়ে দুটি চোখধাঁধানো গোল করান। আর ৭১তম মিনিটে নিখুঁত পেনাল্টি শটে বেনিনের জাল কাঁপিয়ে নিজের ১২৬তম আন্তর্জাতিক গোল পূর্ণ করেন।

বিদায়ী রাতে ১ গোল ও ২ অ্যাসিস্টের মাধ্যমে আকাশী-নীল জার্সিতে নিজের ক্যারিয়ার ইতি টানলেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি। আর্জেন্টিনার হয়ে ২০৮ ম্যাচে তার মোট পরিসংখ্যান দাঁড়াল ১২৬টি গোল ও ৭০টি অ্যাসিস্ট। রেফারির দেওয়া স্মারক কার্ড আর ম্যাচের বলটি হয়ে থাকল বিশ্ব ফুটবলের এই রাজপুত্রের শেষ রাতের দারুণ দুটি স্মারক।


অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত