ঢাকা, বাংলাদেশ    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
অগ্নিশিখা

কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্রের আবাসিকে সন্ত্রাসী হামলায় গ্রেপ্তার ১, পলাতকরা ভয়ে বাদী



কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্রের আবাসিকে সন্ত্রাসী হামলায় গ্রেপ্তার ১, পলাতকরা ভয়ে বাদী

সাাভার প্রতিনিধিঃ সাভার কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্রের আবাসিক এলাকায় মাছ ধরার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকা বহিরাগত আবেদ আলী ও আমিনুলসহ তার সঙ্গীরা ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী জয়নাল আবেদিনকে বেধরক মারধর করে এবং অন্ডকোষের চামড়া ছিড়ে হত্যার চেষ্টা চালায়। এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামী আবেদ আলীকে গ্রেপ্তার করে। এমতাবস্থায় মামলার পলাতক আসামী আমিলুল ও তার সহযোগীরা মামলার বাদিকে বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। 

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মামলার অন্যান্য আসামীদেরকে দ্রত গ্রেপ্তার এবং সাঁজার আওতায় না আনা হলে তারা আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানায় সন্ত্রাসী আবেদ আলি ও তার বাহিনীর সদস্যরা ৪ আগস্ট পর্যন্ত সাভারের অন্যতম জুলাই খুনি এমপি সাইফুল বাহিনীর পক্ষ নিয়ে জুলাই বিপ্লবীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ নাশকতার সাথে জড়িত ছিলো। তারা আরো জানায় ৫ আগস্টের আগে ও পরে কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার এলাকায় প্রভাবশালী ঠিকাদার বাবুল ও ঠিকাদার বিপ্লব তাদের ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করতেই শেল্টার দিতেন এই মাদকাসক্ত সন্ত্রাসী আবেদ আলি, আমিনুল সহ একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে। আর তাদের দিয়েই বিভিন্ন টেন্ডারবাজীতে ভয়ভীতি প্রদর্শন সহ বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করে আসছিলো। এমনকি প্রতিবেদনের সার্থে এক প্রতিবেদক, মামলার পলাতক আসামী আমিনুলের সাথে মুঠোফোনের যোগাযোগ করলে তিনি এ প্রতিবেদককে জানায়, আবেদ আলী ছাড়া পেলে মামলার বাদী ও সহযোগীদের অবস্থা খারাপ হবে। 

এব্যাপারে এই মামলার আইও আশুলিয়া থানা এসআই জুয়েল রানার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে কোন সদোত্তর পাওয়া যায়নি। 

সরেজমিনের খোঁজ নিয়ে জানা ও দেখা যায়, কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্রের আবাসিক এলাকা সহ রয়েছে বিশাল নির্জন চারন ভূমি এলাকা। তার পাশেই রয়েছে মাদক পল্লী আনারকলি। সেই আনারকলি এলাকা থেকে মাদকাসক্তরা মাদক সংগ্রহ করে কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্রের নির্জন জায়গায় মাদক সেবন করে ও পরবর্তীতে মাদকের টাকা সংগহের লক্ষ্যে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ও সিএন্ডবি-আশুলিয়া সড়কে প্রতিনিয়তই ঘটায় ছিনতাই ও ডাকাতির মতো ঘটনা। 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাদকাসক্তরাই এই ছিনতাই ও ডাকাতির সাথে সড়িত। জানা যায়, গ্রেপ্তার হওয়া আবেদ আলি ও পলাতক আসামী আমিনুলের নেতৃত্বেই এই মাদকের আড্ডা বসে। সাভার কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্রের উপ-পরিচালক জানান, সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনসহ বহিরাগতদের প্রবেশাধীকারের বিষয়ে ডেইরী ফার্ম কর্তৃপক্ষ সজাগ দৃষ্টি রেখেছে বলে জানায়। এবং সীমানা প্রাচীর রক্ষনাবেক্ষনের জন্য নেয়া হয়েছে কার্যকরী পদক্ষেপ।

আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্রের আবাসিকে সন্ত্রাসী হামলায় গ্রেপ্তার ১, পলাতকরা ভয়ে বাদী

প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

সাাভার প্রতিনিধিঃ সাভার কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্রের আবাসিক এলাকায় মাছ ধরার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকা বহিরাগত আবেদ আলী ও আমিনুলসহ তার সঙ্গীরা ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী জয়নাল আবেদিনকে বেধরক মারধর করে এবং অন্ডকোষের চামড়া ছিড়ে হত্যার চেষ্টা চালায়। এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামী আবেদ আলীকে গ্রেপ্তার করে। এমতাবস্থায় মামলার পলাতক আসামী আমিলুল ও তার সহযোগীরা মামলার বাদিকে বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। 

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মামলার অন্যান্য আসামীদেরকে দ্রত গ্রেপ্তার এবং সাঁজার আওতায় না আনা হলে তারা আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানায় সন্ত্রাসী আবেদ আলি ও তার বাহিনীর সদস্যরা ৪ আগস্ট পর্যন্ত সাভারের অন্যতম জুলাই খুনি এমপি সাইফুল বাহিনীর পক্ষ নিয়ে জুলাই বিপ্লবীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ নাশকতার সাথে জড়িত ছিলো। তারা আরো জানায় ৫ আগস্টের আগে ও পরে কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার এলাকায় প্রভাবশালী ঠিকাদার বাবুল ও ঠিকাদার বিপ্লব তাদের ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করতেই শেল্টার দিতেন এই মাদকাসক্ত সন্ত্রাসী আবেদ আলি, আমিনুল সহ একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে। আর তাদের দিয়েই বিভিন্ন টেন্ডারবাজীতে ভয়ভীতি প্রদর্শন সহ বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করে আসছিলো। এমনকি প্রতিবেদনের সার্থে এক প্রতিবেদক, মামলার পলাতক আসামী আমিনুলের সাথে মুঠোফোনের যোগাযোগ করলে তিনি এ প্রতিবেদককে জানায়, আবেদ আলী ছাড়া পেলে মামলার বাদী ও সহযোগীদের অবস্থা খারাপ হবে। 

এব্যাপারে এই মামলার আইও আশুলিয়া থানা এসআই জুয়েল রানার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে কোন সদোত্তর পাওয়া যায়নি। 

সরেজমিনের খোঁজ নিয়ে জানা ও দেখা যায়, কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্রের আবাসিক এলাকা সহ রয়েছে বিশাল নির্জন চারন ভূমি এলাকা। তার পাশেই রয়েছে মাদক পল্লী আনারকলি। সেই আনারকলি এলাকা থেকে মাদকাসক্তরা মাদক সংগ্রহ করে কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্রের নির্জন জায়গায় মাদক সেবন করে ও পরবর্তীতে মাদকের টাকা সংগহের লক্ষ্যে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ও সিএন্ডবি-আশুলিয়া সড়কে প্রতিনিয়তই ঘটায় ছিনতাই ও ডাকাতির মতো ঘটনা। 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাদকাসক্তরাই এই ছিনতাই ও ডাকাতির সাথে সড়িত। জানা যায়, গ্রেপ্তার হওয়া আবেদ আলি ও পলাতক আসামী আমিনুলের নেতৃত্বেই এই মাদকের আড্ডা বসে। সাভার কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্রের উপ-পরিচালক জানান, সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনসহ বহিরাগতদের প্রবেশাধীকারের বিষয়ে ডেইরী ফার্ম কর্তৃপক্ষ সজাগ দৃষ্টি রেখেছে বলে জানায়। এবং সীমানা প্রাচীর রক্ষনাবেক্ষনের জন্য নেয়া হয়েছে কার্যকরী পদক্ষেপ।


অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত