নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি বিধিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রজ্ঞাপন জারির মাত্র দুই সপ্তাহের মাথায় নিজ জেলা টাঙ্গাইলে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাহানারা পারভীন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে, রাজনৈতিক তদবির ও অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তাকে এই পদে বসানো হয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং স্থানীয় প্রভাব ও স্বার্থের সংঘাত দূর করতে গত ২ জুলাই সরকার একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করে। এই নীতিমালায় পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে, কোনো কর্মকর্তা নিজের বা তার জীবনসঙ্গীর জেলায় পদায়ন পাবেন না। কিন্তু এই নিয়ম প্রকাশের ১৫ দিন পার হতে না হতেই তা অমান্য করে জাহানারা পারভীনকে টাঙ্গাইলের নির্বাহী প্রকৌশলী করা হয়। উল্লেখ্য, সরকারি নথি ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অনুযায়ী, জাহানারা পারভীন এবং তার স্বামী শামছুল বারী উভয়েরই স্থায়ী নিবাস টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায়।
জানা গেছে, গত বছরের ১৬ মে জাহানারা পারভীন টাঙ্গাইল এলজিইডিতে সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দেন। অভিযোগ রয়েছে, সে সময় তার স্বামী শামছুল বারী স্ত্রীর পদমর্যাদা ব্যবহার করে এলাকায় নামে-বেনামে ঠিকাদারি ব্যবসা ফেঁদে বসেন এবং নানাবিধ অনৈতিক সুবিধা নেন। চলতি বছরের ১৪ মে পদোন্নতি পেয়ে জাহানারা পারভীন ঢাকা সদর দপ্তরে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে বদলি হন। তবে সেখানে দুই মাসও পার না হতেই এক রহস্যময় আদেশে তাকে পুনরায় নিজ জেলা টাঙ্গাইলে ফিরিয়ে আনা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন ও রাজনৈতিক চক্রের প্রভাবে এই বদলি নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়াও, জাহানারা পারভীনের বিরুদ্ধে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে নিয়মিত ঢাকায় তদবির করা, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং স্বামীর মাধ্যমে বেনামে ঠিকাদারি করার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
এই বিষয়ে টাঙ্গাইল এলজিইডির বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, একটি নির্দিষ্ট চক্র দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এই নিয়মনীতি বহির্ভূত বদলিটি করিয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নিজ জেলায় দায়িত্ব পালনের কোনো সুযোগ নেই। নীতিমালার মর্যাদা রক্ষার্থে এই পদে কোনো নিরপেক্ষ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া উচিত।
প্রকাশ্য দিবালোকে নিয়মের এমন চরম লঙ্ঘনে এলজিইডির সাধারণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি বিধিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রজ্ঞাপন জারির মাত্র দুই সপ্তাহের মাথায় নিজ জেলা টাঙ্গাইলে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাহানারা পারভীন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে, রাজনৈতিক তদবির ও অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তাকে এই পদে বসানো হয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং স্থানীয় প্রভাব ও স্বার্থের সংঘাত দূর করতে গত ২ জুলাই সরকার একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করে। এই নীতিমালায় পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে, কোনো কর্মকর্তা নিজের বা তার জীবনসঙ্গীর জেলায় পদায়ন পাবেন না। কিন্তু এই নিয়ম প্রকাশের ১৫ দিন পার হতে না হতেই তা অমান্য করে জাহানারা পারভীনকে টাঙ্গাইলের নির্বাহী প্রকৌশলী করা হয়। উল্লেখ্য, সরকারি নথি ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অনুযায়ী, জাহানারা পারভীন এবং তার স্বামী শামছুল বারী উভয়েরই স্থায়ী নিবাস টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায়।
জানা গেছে, গত বছরের ১৬ মে জাহানারা পারভীন টাঙ্গাইল এলজিইডিতে সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দেন। অভিযোগ রয়েছে, সে সময় তার স্বামী শামছুল বারী স্ত্রীর পদমর্যাদা ব্যবহার করে এলাকায় নামে-বেনামে ঠিকাদারি ব্যবসা ফেঁদে বসেন এবং নানাবিধ অনৈতিক সুবিধা নেন। চলতি বছরের ১৪ মে পদোন্নতি পেয়ে জাহানারা পারভীন ঢাকা সদর দপ্তরে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে বদলি হন। তবে সেখানে দুই মাসও পার না হতেই এক রহস্যময় আদেশে তাকে পুনরায় নিজ জেলা টাঙ্গাইলে ফিরিয়ে আনা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন ও রাজনৈতিক চক্রের প্রভাবে এই বদলি নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়াও, জাহানারা পারভীনের বিরুদ্ধে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে নিয়মিত ঢাকায় তদবির করা, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং স্বামীর মাধ্যমে বেনামে ঠিকাদারি করার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
এই বিষয়ে টাঙ্গাইল এলজিইডির বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, একটি নির্দিষ্ট চক্র দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এই নিয়মনীতি বহির্ভূত বদলিটি করিয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নিজ জেলায় দায়িত্ব পালনের কোনো সুযোগ নেই। নীতিমালার মর্যাদা রক্ষার্থে এই পদে কোনো নিরপেক্ষ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া উচিত।
প্রকাশ্য দিবালোকে নিয়মের এমন চরম লঙ্ঘনে এলজিইডির সাধারণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন