একটি জমিকে ঘিরে একাধিক দাবি, আর তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে লাখ টাকার বায়না, স্ট্যাম্প চুক্তি ও দখলের পরস্পরবিরোধী গুরুতর অভিযোগ। কুমিল্লার হোমনা উপজেলার নিলখী লালবাগ এলাকায় প্রায় এক দশক ধরে চলা এই জমি বিরোধ এখন নতুন করে চরম উত্তেজনায় রূপ নিয়েছে। একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হোমনা থানায় জমা পড়েছে তিনটি পৃথক অভিযোগ। একদিকে জমি লেনদেনের আইনি মারপ্যাঁচ, অন্যদিকে একটি অসহায় পরিবারকে বেড়া দিয়ে ‘গৃহবন্দী’ করে রাখার মতো অমানবিক ঘটনা—সব মিলিয়ে পুরো এলাকায় এখন থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
প্রশ্ন উঠছে—চুক্তি ছিল, টাকা লেনদেনও হয়েছে—তবুও কেন দীর্ঘ ১০ বছরেও মিলল না সমাধান? কোথায় আটকে আছে সত্য? চুক্তি ভঙ্গ করেছে কে?
অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৬ সালের একটি জমি বিক্রয় চুক্তিকে ঘিরেই এই জটিলতার সূত্রপাত। উভয় পক্ষই স্বীকার করছে—বায়না বাবদ অর্থ লেনদেন হয়েছে এবং স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। কিন্তু এরপরই শুরু হয় দ্বন্দ্ব—চুক্তি বাস্তবায়ন ও জমির দখল নিয়ে তৈরি হয় সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী অবস্থান। সম্প্রতি এই বিরোধ প্রকাশ্য রূপ নিলে উভয় পক্ষই থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগপত্রগুলো বিশ্লেষণ করলে এক অস্বস্তিকর বাস্তবতার চিত্র ফুটে ওঠে।
ভুক্তভোগী সালমা বেগমের দাবি, প্রায় ১০ বছর আগে আর্থিক সংকটে পড়ে প্রতিবেশী মোঃ ইসমাইলের নিকট ২ শতক জমি বিক্রির উদ্দেশ্যে ২ লাখ টাকা বায়না গ্রহণ করেছিলেন। শর্ত ছিল সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাকি টাকা পরিশোধ করে রেজিস্ট্রি হবে। কিন্তু ইসমাইল দীর্ঘ এক দশকেও বাকি টাকা পরিশোধ করেননি। পরবর্তীতে সালমা বেগমের পরিবার আর্থিক সংকট কাটিয়ে উঠলে জমিটি আর বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং বায়নাকৃত টাকা ফেরত দিতে চায়। কিন্তু ইসমাইল তা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পুরো জমি দাবি করেন এবং পূর্ণ মূল্য পরিশোধ না করেই জোরপূর্বক জমি দখল ও রেজিস্ট্রির চেষ্টা চালান।
সালমা বেগমের অভিযোগ করে আরও বলেন, গত ১০ এপ্রিল (২০২৬) বিকেলে ইসমাইল ও রোজিনাসহ অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন লোক বাড়ির সামনে এসে অশালীন আচরণ ও মারধরের চেষ্টা করে। এরপর ১২ এপ্রিল সকালে পুনরায় এসে হুমকি ও উচ্ছেদের ভয় দেখানো হয়। একপর্যায়ে বিবাদীপক্ষ ভুক্তভোগী সালমা বেগমের বাড়ির সামনে বেড়া দিয়ে তাদের একমাত্র চলাচলের পথটি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়, যার ফলে পরিবারটি কার্যত গৃহবন্দী হয়ে পড়ে।
একই ঘটনার সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন অভিযুক্ত মোঃ ইসমাইল মিয়া। তার দাবি, ২০১৬ সালে নির্দিষ্ট দাগের জমি ক্রয়ের জন্য তিনি ধাপে ধাপে প্রায় ৯ লাখ টাকা প্রদান করেছেন—যার মধ্যে প্রথমে প্রায় ৭ লাখ টাকা এবং পরবর্তীতে স্ট্যাম্প চুক্তির মাধ্যমে আরও ২ লাখ টাকা দেওয়া হয়। এই পুরো লেনদেনই একাধিক সাক্ষীর উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহণের পরও বিবাদীপক্ষ তাকে জমির দখল বা রেজিস্ট্রি বুঝিয়ে না দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখেছে। উল্টো জমি বুঝে নিতে গেলে তাকে ভয়ভীতি ও মিথ্যা মামলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সর্বশেষ গত ৫ মে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলেও তিনি হুমকির মুখে পড়েন।
১২ এপ্রিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া তৃতীয় অভিযোগে আরও গুরুতর চিত্র উঠে এসেছে। এতে বলা হয়, সংঘবদ্ধভাবে বাড়ির সামনে গিয়ে হুমকি দেওয়া, বাড়িঘর ভাঙচুরের ভয় দেখানো, পরিবারের নারী সদস্যদের সঙ্গে চরম অশোভন আচরণ এবং চারপাশ অবরুদ্ধ করে রাখার মতো ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এটি কোনো সাম্প্রতিক ঘটনা নয়। গত এক দশকে এই জমি নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশ বৈঠক ও আপস-মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই কোনো এক পক্ষের শর্ত ভঙ্গের কারণে সালিশ ব্যর্থ হয়।
বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে সালমা বেগমের পরিবার। ভুক্তভোগী সালমা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "আমরা এখন ঘর থেকে বের হতে পারছি না, চারদিকে বেড়া দিয়ে আমাদের আটকে দেওয়া হয়েছে। তারা যেকোনো সময় আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। আমরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি।"
স্থানীয় সচেতন মহল একটি অসহায় পরিবারকে এভাবে অবরুদ্ধ করে রাখার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে হোমনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) টমাস বড়ুয়া জানায়, জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও অবরুদ্ধ করার বিষয়ে লিখিত অভিযোগগুলো গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা, স্ট্যাম্প চুক্তির আইনি বৈধতা এবং জমিনের বাস্তব পরিস্থিতি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত ও সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে দ্রুতই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হোমনার এই জমি বিরোধ এখন বায়না, চুক্তি ও দখলের ত্রিমুখী সংঘাতের এক জটিল কেস স্টাডি। এক পক্ষ বলছে—টাকা পুরো দেওয়া হয়নি এবং বায়নালিপি বাতিল করতে চাওয়ায় তাদের গৃহবন্দী করা হয়েছে; অন্য পক্ষ বলছে— পুরো টাকা দেওয়ার পরও জমি বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে না।
প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণে এক পক্ষের দাবি সুসংগঠিত মনে হলেও, একটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা পরিস্থিতিকে আইনি সীমার বাইরে নিয়ে গেছে। এই ‘অসম্পূর্ণ চুক্তি’র চূড়ান্ত সত্য ও সমাধান এখন নিরপেক্ষ তদন্তের ওপর নির্ভরশীল। তবে যতদিন এই বিরোধ অনিষ্পন্ন থাকছে, ততদিন পর্যন্ত এই প্রকাশ্য উত্তেজনা যে কোনো সময় বড় ধরনের আইনশৃঙ্খলার সংকটে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
একটি জমিকে ঘিরে একাধিক দাবি, আর তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে লাখ টাকার বায়না, স্ট্যাম্প চুক্তি ও দখলের পরস্পরবিরোধী গুরুতর অভিযোগ। কুমিল্লার হোমনা উপজেলার নিলখী লালবাগ এলাকায় প্রায় এক দশক ধরে চলা এই জমি বিরোধ এখন নতুন করে চরম উত্তেজনায় রূপ নিয়েছে। একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হোমনা থানায় জমা পড়েছে তিনটি পৃথক অভিযোগ। একদিকে জমি লেনদেনের আইনি মারপ্যাঁচ, অন্যদিকে একটি অসহায় পরিবারকে বেড়া দিয়ে ‘গৃহবন্দী’ করে রাখার মতো অমানবিক ঘটনা—সব মিলিয়ে পুরো এলাকায় এখন থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
প্রশ্ন উঠছে—চুক্তি ছিল, টাকা লেনদেনও হয়েছে—তবুও কেন দীর্ঘ ১০ বছরেও মিলল না সমাধান? কোথায় আটকে আছে সত্য? চুক্তি ভঙ্গ করেছে কে?
অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৬ সালের একটি জমি বিক্রয় চুক্তিকে ঘিরেই এই জটিলতার সূত্রপাত। উভয় পক্ষই স্বীকার করছে—বায়না বাবদ অর্থ লেনদেন হয়েছে এবং স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। কিন্তু এরপরই শুরু হয় দ্বন্দ্ব—চুক্তি বাস্তবায়ন ও জমির দখল নিয়ে তৈরি হয় সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী অবস্থান। সম্প্রতি এই বিরোধ প্রকাশ্য রূপ নিলে উভয় পক্ষই থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগপত্রগুলো বিশ্লেষণ করলে এক অস্বস্তিকর বাস্তবতার চিত্র ফুটে ওঠে।
ভুক্তভোগী সালমা বেগমের দাবি, প্রায় ১০ বছর আগে আর্থিক সংকটে পড়ে প্রতিবেশী মোঃ ইসমাইলের নিকট ২ শতক জমি বিক্রির উদ্দেশ্যে ২ লাখ টাকা বায়না গ্রহণ করেছিলেন। শর্ত ছিল সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাকি টাকা পরিশোধ করে রেজিস্ট্রি হবে। কিন্তু ইসমাইল দীর্ঘ এক দশকেও বাকি টাকা পরিশোধ করেননি। পরবর্তীতে সালমা বেগমের পরিবার আর্থিক সংকট কাটিয়ে উঠলে জমিটি আর বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং বায়নাকৃত টাকা ফেরত দিতে চায়। কিন্তু ইসমাইল তা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পুরো জমি দাবি করেন এবং পূর্ণ মূল্য পরিশোধ না করেই জোরপূর্বক জমি দখল ও রেজিস্ট্রির চেষ্টা চালান।
সালমা বেগমের অভিযোগ করে আরও বলেন, গত ১০ এপ্রিল (২০২৬) বিকেলে ইসমাইল ও রোজিনাসহ অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন লোক বাড়ির সামনে এসে অশালীন আচরণ ও মারধরের চেষ্টা করে। এরপর ১২ এপ্রিল সকালে পুনরায় এসে হুমকি ও উচ্ছেদের ভয় দেখানো হয়। একপর্যায়ে বিবাদীপক্ষ ভুক্তভোগী সালমা বেগমের বাড়ির সামনে বেড়া দিয়ে তাদের একমাত্র চলাচলের পথটি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়, যার ফলে পরিবারটি কার্যত গৃহবন্দী হয়ে পড়ে।
একই ঘটনার সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন অভিযুক্ত মোঃ ইসমাইল মিয়া। তার দাবি, ২০১৬ সালে নির্দিষ্ট দাগের জমি ক্রয়ের জন্য তিনি ধাপে ধাপে প্রায় ৯ লাখ টাকা প্রদান করেছেন—যার মধ্যে প্রথমে প্রায় ৭ লাখ টাকা এবং পরবর্তীতে স্ট্যাম্প চুক্তির মাধ্যমে আরও ২ লাখ টাকা দেওয়া হয়। এই পুরো লেনদেনই একাধিক সাক্ষীর উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহণের পরও বিবাদীপক্ষ তাকে জমির দখল বা রেজিস্ট্রি বুঝিয়ে না দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখেছে। উল্টো জমি বুঝে নিতে গেলে তাকে ভয়ভীতি ও মিথ্যা মামলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সর্বশেষ গত ৫ মে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলেও তিনি হুমকির মুখে পড়েন।
১২ এপ্রিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া তৃতীয় অভিযোগে আরও গুরুতর চিত্র উঠে এসেছে। এতে বলা হয়, সংঘবদ্ধভাবে বাড়ির সামনে গিয়ে হুমকি দেওয়া, বাড়িঘর ভাঙচুরের ভয় দেখানো, পরিবারের নারী সদস্যদের সঙ্গে চরম অশোভন আচরণ এবং চারপাশ অবরুদ্ধ করে রাখার মতো ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এটি কোনো সাম্প্রতিক ঘটনা নয়। গত এক দশকে এই জমি নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশ বৈঠক ও আপস-মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই কোনো এক পক্ষের শর্ত ভঙ্গের কারণে সালিশ ব্যর্থ হয়।
বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে সালমা বেগমের পরিবার। ভুক্তভোগী সালমা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "আমরা এখন ঘর থেকে বের হতে পারছি না, চারদিকে বেড়া দিয়ে আমাদের আটকে দেওয়া হয়েছে। তারা যেকোনো সময় আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। আমরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি।"
স্থানীয় সচেতন মহল একটি অসহায় পরিবারকে এভাবে অবরুদ্ধ করে রাখার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে হোমনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) টমাস বড়ুয়া জানায়, জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও অবরুদ্ধ করার বিষয়ে লিখিত অভিযোগগুলো গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা, স্ট্যাম্প চুক্তির আইনি বৈধতা এবং জমিনের বাস্তব পরিস্থিতি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত ও সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে দ্রুতই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হোমনার এই জমি বিরোধ এখন বায়না, চুক্তি ও দখলের ত্রিমুখী সংঘাতের এক জটিল কেস স্টাডি। এক পক্ষ বলছে—টাকা পুরো দেওয়া হয়নি এবং বায়নালিপি বাতিল করতে চাওয়ায় তাদের গৃহবন্দী করা হয়েছে; অন্য পক্ষ বলছে— পুরো টাকা দেওয়ার পরও জমি বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে না।
প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণে এক পক্ষের দাবি সুসংগঠিত মনে হলেও, একটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা পরিস্থিতিকে আইনি সীমার বাইরে নিয়ে গেছে। এই ‘অসম্পূর্ণ চুক্তি’র চূড়ান্ত সত্য ও সমাধান এখন নিরপেক্ষ তদন্তের ওপর নির্ভরশীল। তবে যতদিন এই বিরোধ অনিষ্পন্ন থাকছে, ততদিন পর্যন্ত এই প্রকাশ্য উত্তেজনা যে কোনো সময় বড় ধরনের আইনশৃঙ্খলার সংকটে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন