ঢাকা, বাংলাদেশ    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
অগ্নিশিখা

ময়মনসিংহের বাজারে বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। তবে মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা পর্যন্ত। ক্রেতাদের অভিযোগ, বিক্রেতারা সিন্ডিকেট করে মুরগির দাম বাড়িয়েছেন।

ময়মনসিংহে সবজিতে স্বস্তি, বেড়েছে মুরগির দাম


প্রকাশ : ০৫ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

ময়মনসিংহে সবজিতে স্বস্তি, বেড়েছে মুরগির দাম

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে সরেজমিনে শহরের ঐতিহ্যবাহী মেছুয়া বাজারে গিয়ে সবজি ও মুরগির দামের এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার ঘুরে জানা গেছে, বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। বর্তমানে কাঁচামরিচ ৯০ টাকা থেকে কমে ৮০, সজনে ২০০ টাকা থেকে কমে ১৯০, শসা ৫০ টাকা থেকে কমে ৪০, বেগুন ৬০ টাকা থেকে কমে ৫০, বরবটি ৫০ টাকা থেকে কমে ৪০ ও ক্যাপসিকাম ৪০০ টাকা থেকে কমে ৩৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহ ভালো মানের লেবু ৭০ টাকা হালিতে বিক্রি হলেও এখন ৬০ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছে। স্থিতিশীল অবস্থায় কাঁচা পেঁপে ৩০, টমেটো ২০, গাঁজর ৩০, শিম ৩০ টাকা কেজিতে, চালকুমড়া ৬০ টাকা পিস, ফুলকপি ৪০ টাকা পিস, কাঁচকলা ৩০ টাকা হালি ও ধনেপাতা ২০ টাকা আঁটিতে বিক্রি হচ্ছে।

একই বাজারে মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গত সপ্তাহ ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। অথচ এখন কেজিতে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১৮৫ টাকা কেজিতে বিক্রি করা হচ্ছে। সোনালী কক মুরগি, সোনালী কক ২৯০ টাকা থেকে বেড়ে ৩১০ ও সাদা কক মুরগি ২৮০ টাকা থেকে বেঠে ৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করা হচ্ছে। স্থিতিশীল অবস্থায় হাঁসের ডিম ৬০ টাকা হালি, ফার্মের মুরগির ডিম ৩৫ টাকা হালি, গরুর মাংস ৭৫০ টাকা কেজি ও খাসির মাংস ১১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া বাজারে কালবাউশ ৩০০-৩৭০ টাকা, কাতলা ৩৪০-৪৪০ টাকা, শিং ৩৫০-৬৫০ টাকা, সিলভার কার্প ২১০-২৮০ টাকা, শোল ৫৪০-৬০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৮০ টাকা, টাকি ৪১০-৫৪০ টাকা, কৈ ২৫০-৩৫০ টাকা, মৃগেল ২৮০-৩৫০ টাকা, পাঙাশ ১৭০-২০০ টাকা, পাবদা ৪৩০-৫৫০ টাকা, ট্যাংরা ৫১০-৭৮০ টাকা ও রুই ৩২০-৪২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

শরাফ উদ্দিন নামে একজন ক্রেতা বলেন, সবজিতে ভরপুর বাজার। এতে দামও কমেছে। তবে বাজার মনিটরিং জোরদার থাকলে সবজির দাম আরও কমবে।

মুরগি কেনার সময় কথা হয় তোফায়েল মিয়া নামের আরেকজন ক্রেতার সঙ্গে। তিনি বলেন, প্রত্যেক মুরগি বিক্রেতা প্রচুর মুরগি নিয়ে বসে আছেন। অথচ দাম বেড়ে গেছে বলে ক্রেতাদের জানানো হচ্ছে। ক্রেতাদের কাছে কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দাম নেওয়া হচ্ছে। মনে হচ্ছে, সিন্ডিকেট করে মুরগির দাম বাড়ানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কঠোরভাবে বাজার মনিটরিং করলে দাম কমবে বলে প্রত্যাশা করছি।

সবজি বিক্রেতা নজরুল ইসলাম বলেন, ভোর থেকে প্রচুর সবজি বাজারে আসছে। আড়তদাররা আগের চেয়ে কম দামে সবজি কিনতে পারছেন। ফলে তারা খুচরা বিক্রেতাদের কাছে কম দামে বিক্রি করছেন। এতে ক্রেতা পর্যায়েও দাম কমেছে। তবে আড়তদাররা দাম বাড়ালে আমরাও দাম বাড়িয়ে বিক্রি করতে বাধ্য হবো।

মুরগি বিক্রেতা আসাদুল হক বলেন, সব মুরগি বিক্রেতা যে দামে বিক্রি করছেন, আমিও একই দামে বিক্রি করছি। এতে আমাদের যতসামান্য লাভ হচ্ছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ময়মনসিংহের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুস ছালাম বলেন, বাজারে আমাদের নজরদারি রয়েছে। তবে অসাধু বিক্রেতারা সুযোগ বুঝে দাম বাড়িয়ে নিজেদের পকেট ভারি করতে চেষ্টা করেন। প্রয়োজনে বাজারে অভিযান চালানো হবে।


আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


ময়মনসিংহে সবজিতে স্বস্তি, বেড়েছে মুরগির দাম

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬

featured Image

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে সরেজমিনে শহরের ঐতিহ্যবাহী মেছুয়া বাজারে গিয়ে সবজি ও মুরগির দামের এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার ঘুরে জানা গেছে, বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। বর্তমানে কাঁচামরিচ ৯০ টাকা থেকে কমে ৮০, সজনে ২০০ টাকা থেকে কমে ১৯০, শসা ৫০ টাকা থেকে কমে ৪০, বেগুন ৬০ টাকা থেকে কমে ৫০, বরবটি ৫০ টাকা থেকে কমে ৪০ ও ক্যাপসিকাম ৪০০ টাকা থেকে কমে ৩৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহ ভালো মানের লেবু ৭০ টাকা হালিতে বিক্রি হলেও এখন ৬০ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছে। স্থিতিশীল অবস্থায় কাঁচা পেঁপে ৩০, টমেটো ২০, গাঁজর ৩০, শিম ৩০ টাকা কেজিতে, চালকুমড়া ৬০ টাকা পিস, ফুলকপি ৪০ টাকা পিস, কাঁচকলা ৩০ টাকা হালি ও ধনেপাতা ২০ টাকা আঁটিতে বিক্রি হচ্ছে।

একই বাজারে মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গত সপ্তাহ ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। অথচ এখন কেজিতে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১৮৫ টাকা কেজিতে বিক্রি করা হচ্ছে। সোনালী কক মুরগি, সোনালী কক ২৯০ টাকা থেকে বেড়ে ৩১০ ও সাদা কক মুরগি ২৮০ টাকা থেকে বেঠে ৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করা হচ্ছে। স্থিতিশীল অবস্থায় হাঁসের ডিম ৬০ টাকা হালি, ফার্মের মুরগির ডিম ৩৫ টাকা হালি, গরুর মাংস ৭৫০ টাকা কেজি ও খাসির মাংস ১১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া বাজারে কালবাউশ ৩০০-৩৭০ টাকা, কাতলা ৩৪০-৪৪০ টাকা, শিং ৩৫০-৬৫০ টাকা, সিলভার কার্প ২১০-২৮০ টাকা, শোল ৫৪০-৬০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৮০ টাকা, টাকি ৪১০-৫৪০ টাকা, কৈ ২৫০-৩৫০ টাকা, মৃগেল ২৮০-৩৫০ টাকা, পাঙাশ ১৭০-২০০ টাকা, পাবদা ৪৩০-৫৫০ টাকা, ট্যাংরা ৫১০-৭৮০ টাকা ও রুই ৩২০-৪২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

শরাফ উদ্দিন নামে একজন ক্রেতা বলেন, সবজিতে ভরপুর বাজার। এতে দামও কমেছে। তবে বাজার মনিটরিং জোরদার থাকলে সবজির দাম আরও কমবে।

মুরগি কেনার সময় কথা হয় তোফায়েল মিয়া নামের আরেকজন ক্রেতার সঙ্গে। তিনি বলেন, প্রত্যেক মুরগি বিক্রেতা প্রচুর মুরগি নিয়ে বসে আছেন। অথচ দাম বেড়ে গেছে বলে ক্রেতাদের জানানো হচ্ছে। ক্রেতাদের কাছে কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দাম নেওয়া হচ্ছে। মনে হচ্ছে, সিন্ডিকেট করে মুরগির দাম বাড়ানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কঠোরভাবে বাজার মনিটরিং করলে দাম কমবে বলে প্রত্যাশা করছি।

সবজি বিক্রেতা নজরুল ইসলাম বলেন, ভোর থেকে প্রচুর সবজি বাজারে আসছে। আড়তদাররা আগের চেয়ে কম দামে সবজি কিনতে পারছেন। ফলে তারা খুচরা বিক্রেতাদের কাছে কম দামে বিক্রি করছেন। এতে ক্রেতা পর্যায়েও দাম কমেছে। তবে আড়তদাররা দাম বাড়ালে আমরাও দাম বাড়িয়ে বিক্রি করতে বাধ্য হবো।

মুরগি বিক্রেতা আসাদুল হক বলেন, সব মুরগি বিক্রেতা যে দামে বিক্রি করছেন, আমিও একই দামে বিক্রি করছি। এতে আমাদের যতসামান্য লাভ হচ্ছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ময়মনসিংহের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুস ছালাম বলেন, বাজারে আমাদের নজরদারি রয়েছে। তবে অসাধু বিক্রেতারা সুযোগ বুঝে দাম বাড়িয়ে নিজেদের পকেট ভারি করতে চেষ্টা করেন। প্রয়োজনে বাজারে অভিযান চালানো হবে।



অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত