উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
অগ্নিশিখা অনলাইনভারতের পশ্চিমবঙ্গ মাদরাসা সার্ভিস কমিশন (এমএসসি) বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। কমিশনটি পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের (ডব্লিউবিএসএসসি) সঙ্গে একীভূত করা হবে। ফলে এখন থেকে স্বীকৃত মাদরাসায় শিক্ষক নিয়োগ স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমেই করা হবে।সম্প্রতি রাজ্য মন্ত্রিসভা এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া। অন্যদিকে পৃথক প্রতিবেদনে দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বলছে, মাদরাসা সার্ভিস কমিশন বিলুপ্ত করে সেটিকে রাজ্যের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (ডব্লিউবিএসএসসি) সঙ্গে একীভূত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।এর ফলে স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমেই মাদরাসার শিক্ষকদের নিয়োগ দেয়া হবে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এক জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।বাংলাদেশ-পাকিস্তানে গিয়ে নামাজ পড়ুন, এখানে এসব চলবে না: বিজেপি মন্ত্রীভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, সম্প্রতি রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ মাদরাসা সার্ভিস কমিশনকে পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে একীভূত করার এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়েছে। তবে এটি বাস্তবায়নের আগে বিদ্যমান আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে হবে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।এর আগে গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, রাজ্য সরকার মাদরাসা সার্ভিস কমিশন বিলুপ্ত করবে। তিনি বলেছিলেন, ‘এটি এখন পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের (ডব্লিউবিএসএসসি) সঙ্গে একীভূত করা হবে।’পশ্চিমবঙ্গের স্কুলশিক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, এ বিষয়ে বিধানসভায় দুটি পৃথক বিল আনা হতে পারে। এর একটি হবে পশ্চিমবঙ্গ মাদরাসা সার্ভিস কমিশন আইন বাতিলের জন্য। অন্যটিতে পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশন আইনে সংশোধনের প্রস্তাব থাকবে।শিক্ষা দপ্তরের প্রধান সচিব বিনোদ কুমার ভারতীয় বার্তাসংস্থা পিটিআইকে বলেন, ‘হ্যাঁ, এ বিষয়ে (একীভূতকরণ) এ বছরের মধ্যেই কিছু করা হবে।’সংবাদমাধ্যম বলছে, বিধানসভায় বিল দুটি পাস হওয়ার পর তা রাজ্যপালের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। এরপর গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। বিনোদ কুমার বলেন, প্রস্তাবিত একীভূতকরণের ফলে স্বীকৃত মাদরাসাগুলোতে শিক্ষক নিয়োগও ডব্লিউবিএসএসসির কাঠামোর আওতায় চলে আসবে।কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও কার্যকর করা এবং এতে আরও বেশি সামঞ্জস্য আনতে রাজ্য সরকারের নেয়া উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।