উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
অগ্নিশিখা অনলাইনব্যালন ডি অর নিয়ে এবারের আলোচনা যেন অন্যবারের চেয়ে একটু বেশিই জমেছে। সম্ভাব্য বিজয়ীদের তালিকায় হ্যারি কেইন, লামিন ইয়ামালের সঙ্গে কিলিয়ান এমবাপ্পের নামও জোরেশোরেই আলোচিত হচ্ছে। বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি ক্লাব ফুটবলেও দারুণ পারফরম্যান্স করেছেন ফরাসি তারকা। কিন্তু একটি বড় ঘাটতি তার পথ কঠিন করে দিতে পারে। গত মৌসুমে কোনো শিরোপা জিততে পারেনি তার দল।এই কারণেই এবারের ব্যালন ডি অর লড়াইয়ে এমবাপ্পের সম্ভাবনা খুব বেশি দেখছেন না পাসকেল ফেরে। দীর্ঘ সময় পুরস্কারটির প্রধান হিসেবে দায়িত্বে থাকা এই ফরাসি সাংবাদিকের মতে, দলীয় সাফল্য ছাড়া বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতা কঠিন।ফরাসি ম্যাগাজিন ফ্রান্স ফুটবল ব্যালন ডি অরের আয়োজক। ১৯৯৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এই পুরস্কারের প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন পাসকেল ফেরে। নিজের বই দ্য হিডেন ফেস অব দ্য ব্যালন ডি অর প্রকাশ উপলক্ষে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এবারের পুরস্কারের লড়াই নিয়েও কথা বলেছেন।এমবাপ্পে ও লামিন ইয়ামালের মধ্যে কে প্রচারণায় এগিয়ে, এমন প্রশ্নের জবাবে সরাসরি বিজয়ীর নাম বলেননি ফেরে। তবে এমবাপ্পের প্রচারণা ইয়ামালের চেয়ে ভালো হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।‘আমার মতে, লামিন ইয়ামালের চেয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পেরর প্রচারণা ভালো হয়েছে, তবে ব্যালন ডি'অরের এমন কিছু নয় যে আপনি চাইতে পারেন, এটা অর্জন করতে হয়।’‘এসব ফলাফলকে কোনোরকম প্রভাবিত করে না। বিচারকরা স্বাধীন, অভিজ্ঞ ও সৎ। আমার মনে হয় না, কিলিয়ানের প্রচারণা খুব একটা প্রভাব ফেলবে।’এমবাপ্পের ব্যক্তিগত সামর্থ্য নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই ফেরের। কিন্তু ব্যালন ডি অরের ভোটে নিজের পছন্দের তালিকায় তাকে রাখতেন না বলেই জানিয়েছেন পুরস্কারটির সাবেক এই প্রধান।‘সে দুর্দান্ত এক খেলোয়াড়, কিন্তু আমি তাকে ভোট দিতাম না। কোনো শিরোপা না জিতেই মনোনয়ন পাওয়া কয়েকজনের মধ্যে একজন সে। কোনোকিছু না জিতেই কারো বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার ব্যাপারটা আমার কাছে অদ্ভূত লাগে। ফুটবল এখনও একটা দলগত খেলা।’গত মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ৪৪ ম্যাচে ৪২ গোল করেছিলেন এমবাপ্পে। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে দুর্দান্ত হলেও দলীয় সাফল্য ছিল না। রিয়াল কোনো শিরোপা জিততে পারেনি।এরপর বিশ্বকাপেও অবশ্য এমবাপ্পে নিজের নামকে আরও উজ্জ্বল করেছেন। ১০ গোল করে জিতেছেন গোল্ডেন বুট। তিন বিশ্বকাপ মিলিয়ে তার গোল এখন ২২টি, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তবে ফ্রান্সের শেষটা হয়েছে চতুর্থ হয়ে।শিরোপাহীন মৌসুমের পরও তাই ব্যালন ডি অর জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী এমবাপ্পে। তার মতে, ব্যক্তিগত পুরস্কারের ক্ষেত্রে দলীয় সাফল্যকে বড় প্রভাবক হওয়া উচিত নয়। কিন্তু ব্যালন ডি অরের সাবেক প্রধান পাসকেল ফেরের মন্তব্যে ফরাসি তারকার সেই আশায় কিছুটা ধাক্কা লাগতেই পারে।