উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
অগ্নিশিখা অনলাইন ||
নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও হিমবাহধসে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় তিনি ঢাকায় নেপাল দূতাবাসে গিয়ে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন এবং নেপাল সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।শোকবইয়ে স্বাক্ষর শেষে মিয়া গোলাম পরওয়ার ঢাকায় নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় রাষ্ট্রদূত সাম্প্রতিক দুর্যোগ ও প্রাণহানির বিষয়ে তাকে অবহিত করেন। একই সঙ্গে দুর্যোগের শুরু থেকেই জামায়াতের পক্ষ থেকে সহযোগিতা ও সহানুভূতি প্রকাশ করায় তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপির পক্ষ থেকেও নেপালের সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হয়।মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, নেপালের জনগণের এই কঠিন ও শোকাবহ সময়ে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেপালের জনগণের পাশে রয়েছে। তিনি নেপাল সরকার, উদ্ধারকারী দল এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং বিপর্যয় মোকাবিলায় নেওয়া সব মানবিক উদ্যোগের সাফল্য কামনা করেন।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বিভিন্ন কঠিন সময়ে একে অপরের পাশে থাকার যে মানবিক ঐতিহ্য দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান, এই দুঃসময়ে তা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।এ সময় জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, গত ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তে একটি হিমবাহের অংশ ধসে পড়ার পর ব্যাপক বন্যা, কাদা ও পাথরের স্রোতে সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ বিপর্যয় সৃষ্টি হয়। নেপালের রসুয়াসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু ও বিভিন্ন অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ১ সেপ্টেম্বরের বিভিন্ন প্রতিবেদনে মৃতের সংখ্যা অন্তত হাজারের কাছাকাছি এবং কয়েক হাজার মানুষ নিখোঁজ থাকার কথা জানানো হয়েছে। উদ্ধার ও অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।