উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
কামাল পাঠান , সরাইল প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ||
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পবিত্র ১২ই রবিউল আউয়াল উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিপ্রাপ্ত পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উদযাপনকল্পে পুলিশের নানা বাধা অতিক্রম করে জশনে জুলুস ও আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকাল সাড়ে নয়টায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আশেকে রাসূল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অংশগ্রহণে এই ধর্মীয় কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। জানা গেছে, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সকাল থেকেই সরাইলের মালিগাঁও, গুনাহারা, রসুলপুর, বড্ডাপাড়া ও সৈয়দটুলাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে সর্বস্তরের আশেকে রাসুল প্রেমিকেরা ফেস্টুন সহকারে মালিগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এসে সমবেত হন। পরবর্তীতে সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস ও আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি সরাইল প্রাতঃ বাজার (পুরাতন বাজার) মসজিদের সামনে পৌঁছালে পুলিশ তাতে বাধা প্রদান করে এবং সামনে এগোতে বারণ করে। রাষ্ট্রীয়ভাবে জশনে জুলুস ও মিলাদুন্নবী পালনের স্পষ্ট অনুমতি থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় থানা পুলিশ কেন এবং কার নির্দেশে এই শান্তিপূর্ণ ধর্মীয় মিছিলে বাধা সৃষ্টি করল, তা নিয়ে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ জনতা ও ওলামায়ে কেরামের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও নানা প্রশ্ন দেখা দেয়।পুলিশের বাধার মুখে পড়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে মিছিলটি সেখান থেকে ঘুরিয়ে পুনরায় মালিগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা, মিলাদ ও কিয়ামের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।উক্ত জশনে জুলুস ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ওলামায়ে কেরাম ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন—মাওলানা মুফতি রফিকুল ইসলাম রেজভী সাহেব, মাওলানা মুফতি শামসুল হক রেজভী, মাওলানা বাবুল রেজভী, মাওলানা জিলন রেজভী এবং হাসান রিজভী, মিছিলটি সম্পন্ন করতে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন মোঃ মশিউর মাস্টার- আহবায়ক- কৃষক দল সরাইল উপজেলা সহ আরও অনেকে। বক্তারা পুলিশের এমন ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানান এবং ভবিষ্যতেও সকল বাধা উপেক্ষা করে ইসলামের শান্তিময় বাণী প্রচারের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।উপরেও উল্লেখ্য বিষয়ে সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের ভূয়া বলেন আমরা কোন বাধা প্রদান করিনি আইন শৃঙ্খলা ঠিক রাখতে পুলিশ প্রশাসন কাজ করেছে।