উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি ||
নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসাসেবার ব্যয়, অতিরিক্ত পরীক্ষা এবং সেবার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগীরা। তাদের অভিযোগ, চিকিৎসকের ভিজিট ফি দেওয়ার পর বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য পাঠানো হওয়ায় চিকিৎসা ব্যয় অনেক বেড়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসেবার নামে কোনো অনিয়ম বা অযৌক্তিক অর্থ আদায় হচ্ছে কি না, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অনেক ক্লিনিকে চিকিৎসকের ভিজিট ফি ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়। এরপর রোগী দেখার পর বিভিন্ন পরীক্ষা করাতে বলা হয়। এতে ওষুধ কেনা ও চিকিৎসার অন্যান্য ব্যয়ের পাশাপাশি পরীক্ষার জন্যও অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।সাধারণ মানুষের দাবি, সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত পরীক্ষা দেওয়া হচ্ছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।একাধিক ভুক্তভোগী জানান, চিকিৎসকের কাছে ভিজিট ফি দেওয়ার পরও বিভিন্ন পরীক্ষা ছাড়া রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা বা প্রয়োজনীয় পরামর্শ না পাওয়ায় তাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তাদের প্রশ্ন, কোন পরীক্ষা রোগীর চিকিৎসার জন্য সত্যিই প্রয়োজনীয় এবং কোনটি নয়—সে বিষয়ে রোগীদের স্পষ্টভাবে জানানো হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করা দরকার।ভুক্তভোগীরা আরও অভিযোগ করেন, চিকিৎসাসেবা ও পরীক্ষার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির অভাব থাকায় রোগীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিশেষ করে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের চিকিৎসা ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়ছে।তাদের দাবি, সেবার নামে কোনো ধরনের অনিয়ম, অযৌক্তিক পরীক্ষা কিংবা অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করা উচিত। একই সঙ্গে বেসরকারি ক্লিনিক ও চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোর চিকিৎসা ফি, পরীক্ষার খরচ এবং সেবার মান নিয়মিত তদারকির আওতায় আনার দাবি জানান তারা।সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগীদের প্রত্যাশা, নারায়ণগঞ্জের স্বাস্থ্যসেবা হবে রোগীবান্ধব, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।