উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
রামু প্রতিনিধি , কক্সবাজার ||
কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়া পালং এ পারিবারিক বিরোধের জেরে মালয়েশিয়া প্রবাসী আহমদ মিয়ার স্ত্রীকে মারধর, শ্লীলতাহানি এবং বসতবাড়ি ভাঙ্গচুরের অভিযোগ উঠেছে তার দেবরের বিরুদ্ধে।ভুক্তভোগী রুমা আক্তার (৩২) এর রামু থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে জানা যায়, তার স্বামী আহাম্মদ মিয়া একজন মালয়েশিয়া প্রবাসী। তারা একই ভিটায় আলাদা ঘরে বসবাস করলেও দীর্ঘদিন ধরে দেবরের সঙ্গে তাদের পারিবারিক বিরোধ চলে আসছে। এর আগেও দেবর মোঃ হোসেন এবং হোসেনের ছেলে খালেক তাকে একাধিকবার মারধর, নির্যাতন এবং বসতভিটাসহ জমি দখলের চেষ্টা করেছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায় , গত ১৬ মে সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে তিনি বসতঘরের সামনে সবজি ক্ষেতের বেড়া দিচ্ছিলেন। এ সময় তার দেবর লাঠিসোটা নিয়ে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং এলোপাতাড়ি কিল, ঘুষি, লাথি ও লাঠি দিয়ে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এছাড়া সবজি ক্ষেতের বেড়া ও টেংরা ভাঙচুর করে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতি করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন। ভুক্তভোগী এই নারীর অভিযোগ, একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার পরনের কাপড় টানাটানি করে শ্লীলতাহানি ঘটান এবং তার কানে থাকা প্রায় ৮ আনা ওজনের এক জোড়া স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেন।ভুক্তভোগী এই নারী জানান ঘটনার পর স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তিনি চিকিৎসা নেন। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে একাধিকবার সালিশের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তাতে কোনো সমাধান না হওয়ায় তিনি রামু থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। কিন্তু থানায় অভিযোগ করার পরেও পুলিশ কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। থানা পুলিশ কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় দ্বিতীয় দফায় তাকে আবারো মারধর করেন দেবর মোঃ হোসেন। পুলিশ কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলার জন্য আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছেন এই ভুক্তভোগী নারী।তবে এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত ব্যক্তি মোঃ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে জানতে তদন্ত কর্মকর্তা রামু থানার এএসআই সৈয়দ হোসেন কে বারবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।