উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চকরিয়া প্রতিনিধি , কক্সবাজার ||
কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার একটি এলাকায় দুই যুবককে ঘিরে সমকামী সম্পর্কের অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, গত ২৫ এপ্রিলের ঘটনাটি দীর্ঘদিন গোপন থাকলেও সম্প্রতি বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায় নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা তদন্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে চকরিয়া পৌরসভার বাটাখালী এলাকার একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিবারের এক সদস্য ওই বাড়ির একটি কক্ষে দুই যুবককে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান বলে স্থানীয়দের দাবি। পরে বিষয়টি পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আলোচনা-সমালোচন শুরু হয়।স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, অভিযোগে আলোচিত দুই ব্যক্তির একজন বাটাখালী এলাকার তৌহিদুল ইসলাম এবং অপরজন চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর এলাকার জুবাইর রিয়াদ। তবে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা সমকামী সম্পর্কের অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর উভয় পরিবারের সদস্য এবং এলাকাবাসীর একাংশের সঙ্গে ওই দুই যুবকের উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় বাকবিতণ্ডা ও মারধরের ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এরপর থেকে তাদের এলাকায় প্রকাশ্যে দেখা যায়নি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক ও নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে মত প্রকাশ করছেন। অন্যদিকে সচেতন নাগরিকরা বলছেন, কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে দোষী হিসেবে বিবেচনা করা বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া উচিত নয়। অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তাই অভিযোগের প্রকৃত সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।