উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আলী হোসেন , রিপোর্টার ||
দেশের প্রথম ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে’ অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোররাত আনুমানিক ৩টার দিকে নগরীর হাজীগঞ্জ এলাকায় চাষাঢ়া-আদমজী সড়কে অবস্থিত স্মৃতিস্তম্ভটিতে দুর্বৃত্তরা আগুন দেয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী।অগ্নিকাণ্ডের পর বুধবার (২২ জুলাই) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সিফাত উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. ফয়েজ উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, এনসিপির জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ, জুলাই যোদ্ধা এবং জুলাই শহীদদের পরিবারের সদস্যরা।পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, “ভোররাতে দুর্বৃত্তরা স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দিয়েছে। তবে এখনো তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের কাজ চলছে। যারা এই জঘন্য ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শহীদদের স্মৃতির প্রতি আমরা সর্বোচ্চ সম্মান জানাই। এই স্মৃতিস্তম্ভ শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি আমাদের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও আত্মত্যাগের প্রতীক।”জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের হাজীগঞ্জে স্থাপিত এই স্মৃতিস্তম্ভটি দেশের প্রথম ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’। পরবর্তীতে একই আদলে দেশের বিভিন্ন জেলায় আরও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়। প্রতিটি স্মৃতিস্তম্ভে গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের নাম খোদাই করা রয়েছে।গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তির প্রাক্কালে দেশের প্রথম এই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কারা জড়িত, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি জেলা পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানিয়েছেন, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।