উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি ||
মোঃ রকিবুল ইসলাম : সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় হত্যাচেষ্টা মামলায় জামিনে মুক্ত হওয়ার পর বাদীপক্ষকে মামলা তুলে নিতে চাপ, প্রাণনাশের হুমকি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে চাচা-ভাতিজাসহ চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। এর মধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রোববার (১২ জুলাই) ভোর রাতে উপজেলার জামতৈল এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জামতৈল এলাকার আব্দুল জলিল তালুকদারের ছেলে রুহুল আমিন তালুকদার এবং তাঁর চাচা মনতাজ তালুকদার।মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল গ্রামের বাসিন্দা সাবিনা ইয়াসমিন দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি তারা।অভিযোগে বলা হয়, সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হওয়ার পর আসামিরা বাদীপক্ষকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ সৃষ্টি, প্রাণনাশের হুমকি এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাব্বির আহমেদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার আবেদন করেছেন।অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, আসামিরা অন্যদের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারের ওপর চাপ প্রয়োগ করছেন। অপর দুই আসামি মনতাজ আলী তালুকদার ও কুরমান আলী নিয়মিত বাড়ির আশপাশে গিয়ে অশান্তি সৃষ্টি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। গত ১৩ মার্চ জুমার নামাজের পর সাব্বিরের বাবা ও চাচাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া গত ৮ মে সাব্বিরকে তুলে নিয়ে গুম করার হুমকি দেওয়া হলে মানসিক চাপে তাঁর সিওপিডিতে আক্রান্ত বড় চাচা অসুস্থ হয়ে এনায়েতপুর হাসপাতালে ভর্তি হন।ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, রুহুল আমিন তালুকদার ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের মাধ্যমে উস্কানিমূলক পোস্ট ও ভয়ভীতি প্রদর্শনমূলক বার্তা পাঠিয়ে আসছেন। এসব বার্তার স্ক্রিনশট সংরক্ষণ করা হয়েছে বলেও তারা দাবি করেছেন।পুলিশ জানায়, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়। আদালত চার আসামিকে গত ৯ জুলাই হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। তবে নির্ধারিত দিনে তারা আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।কামারখন্দ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শহীদুল বলেন, চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। এর মধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক অন্য দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।