উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সাহিদ বাদশা বাবু, লালমনিরহাট ||
ভারী বৃষ্টিপাত এবং ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ার প্রভাবে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে পানি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী দুই থেকে তিন দিন উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢল ও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার বন্যা পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।তিস্তা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের মানুষ ইতোমধ্যে পানিবন্দি হওয়ার শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অনেক এলাকার রাস্তাঘাট পানির নিচে চলে যেতে শুরু করেছে। উত্তর গড্ডিমারী গ্রামের বাসিন্দা মোন্তাজ মিয়া বলেন, নদীপাড়ের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। এভাবে পানি বাড়তে থাকলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।পানি উন্নয়ন বোর্ড লালমনিরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার জানান, ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রবাহের কারণে মঙ্গলবার ভোরের পর থেকে তিস্তার পানি দ্রুত বাড়তে শুরু করে। এর ফলে নদীতীরবর্তী নিচু এলাকাগুলোতে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, স্থানীয়দের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।অন্যদিকে তিস্তা ব্যারাজের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে দেখা গেছে। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।