উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি ||
রকিবুল ইসলাম : সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় এক রাতে দুই কৃষকের বাড়ি থেকে ৫টি গরু চুরির ঘটনায় খামারিদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত কৃষকরা এখন রাত জেগে গোয়ালঘর পাহারা দিচ্ছেন।বুধবার (৬ মে) ভোর রাতে উপজেলার জামতৈল ইউনিয়নের ছোট কুড়া ও ভদ্রঘাট ইউনিয়নের নান্দিনা কামালিয়া গ্রামে সংঘবদ্ধ চোরচক্র ট্রাকযোগে হানা দিয়ে এ চুরির ঘটনা ঘটায়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছোট কুড়া গ্রামের কছিমুদ্দিন মন্ডলের ছেলে সাইফুল ইসলামের বাড়ি থেকে ৩টি গরু এবং নান্দিনা কামালিয়া গ্রামের মৃত আইসান আলীর ছেলে সুবেলের বাড়ি থেকে ২টি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরেরা।একই রাতে আশপাশের আরও কয়েকটি বাড়িতে চুরির চেষ্টা চালানো হয়। রাত সাড়ে ৩টার দিকে আলী আকবর ভুইয়া নামের এক কৃষকের বাড়ির গেটের তালা ভাঙার সময় বিষয়টি টের পেয়ে গেলে চোরেরা দ্রুত পালিয়ে যায়। এ সময় রাস্তার পাশে একটি ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ট্রাক ব্যবহার করেই সংঘবদ্ধ চোরচক্র গরুগুলো নিয়ে পালিয়েছে।এলাকাবাসী জানান, সম্প্রতি এলাকায় চুরি-ডাকাতির ঘটনা বেড়ে গেছে। কয়েকদিন আগে এক অটোরিকশা চালকের বাড়ি থেকে ভ্যানের ব্যাটারি চুরি এবং নান্দিনা কামালিয়া বাজারের তিনটি দোকানেও চুরির ঘটনা ঘটে।গরু চুরির ঘটনায় উদ্বেগে পড়েছেন খামারিরা। সামনে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে অনেক কৃষক সঞ্চয়ের সব টাকা বিনিয়োগ করেছেন গরু পালনে। ফলে গরু চুরি হলে তারা আর্থিকভাবে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বেন বলে আশঙ্কা করছেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, সংঘবদ্ধ চোরচক্র রাতের আঁধারে ট্রাক ব্যবহার করে এলাকায় চুরি চালাচ্ছে। তাই দ্রুত চুরি প্রতিরোধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।এ বিষয়ে কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলী বলেন, “সাম্প্রতিক গরু চুরির ঘটনাটি জানতে পেরেছি। চুরি প্রতিরোধে বিভিন্ন এলাকায় বাঁশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে এবং রাতভর পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।”তিনি আরও বলেন, “সামনে ঈদুল আজহা। কোনো কৃষক যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে জন্য পুলিশের তৎপরতা আরও বাড়ানো হবে।”