উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
কক্সবাজার প্রতিনিধি ||
ভোলার শশীভূষণ থানার আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর ‘আঃ রহিম’ হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামি মো. জাকির হোসেন বাঘা (৩৬) কে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র্যাব-১৫। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে তাকে আটক করা হয়।র্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে টাকা ধার নেওয়া ও ফেরত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ভিকটিম আমির হোসেনের ওপর প্রথমে হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে অভিযুক্তরা।এরই ধারাবাহিকতায় ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত আনুমানিক ৯টা ৫ মিনিটে শশীভূষণ থানার রসুলপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মহাসড়কে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওত পেতে থাকে জাকির হোসেন বাঘা ও তার সহযোগীরা। ওই সময় আমির হোসেনের বাবা আঃ রহিম ও তার সাথে থাকা ভুট্টো সেখানে পৌঁছালে আসামিরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও চাপাতি দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।হামলায় আঃ রহিমের মাথা, ঘাড় ও গলায় নৃশংসভাবে আঘাত করা হয়, এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই প্রধান আসামি জাকির হোসেন বাঘা ভোলা ছেড়ে পালিয়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় আত্মগোপনে ছিল। র্যাব-১৫ এর ক্রাইম প্রিভেনশন স্পেশালাইজড কোম্পানির একটি দল মামলাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করে।গত ৪ মে ২০২৬ বিকাল আনুমানিক ৪টা ৫০ মিনিটে র্যাব-১৫ এর একটি আভিযানিক দল কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানাধীন বরইতলী ইউনিয়নের মুরাপাড়া পহরচান্দা এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় একটি বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃত আসামির পরিচয়:নাম: মো. জাকির হোসেন বাঘা (৩৬),পিতা: মো. জয়নাল বাঘা, গ্রাম- রসুলপুর (৫নং ওয়ার্ড), ইউপি- রসুলপুর, থানা- শশীভূষণ, জেলা- ভোলাপ্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।র্যাব-১৫ জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।