উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
রুপা আক্তার ইন্নি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি ||
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার বাসিন্দা আলী মুর্তজা পলাশকে ঘিরে বিভিন্ন সময় নানা গুরুতর অভিযোগ উঠে আসছে বলে স্থানীয় ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। বিশেষ করে গত কয়েক বছরে তার হঠাৎ বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে ওঠা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, এক সময় আর্থিক সংকটে থাকা পলাশ বর্তমানে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় উল্লেখযোগ্য সম্পদের মালিক। অতীতে আরিচা এলাকার একটি দোকানে বকেয়া রেখে এলাকা ত্যাগ করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।এছাড়া, রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের মধ্যে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা, মানবপাচার এবং মাদক সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের বিষয়ও উল্লেখ করা হচ্ছে। তবে এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো স্পষ্ট আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, ২০১৭ সালে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করলেও তাকে স্থায়ীভাবে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে রাজধানীর গুলশান ও যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় তার নাম আসামির তালিকায় রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।এদিকে, মিরপুর, গুলশান ও বনানীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তার নামে বা ঘনিষ্ঠদের নামে বিপুল সম্পত্তির তথ্য নিয়ে আলোচনা চলছে। একটি মাল্টিমিডিয়া প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততার কথা শোনা যাচ্ছে, যেখানে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদেরই সম্পৃক্ত রাখা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।স্থানীয় সূত্রগুলো আরও দাবি করছে, প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে দীর্ঘদিন ধরে তিনি প্রশাসনের নজর এড়িয়ে চলেছেন। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে মামলার তদন্ত ভিন্ন খাতে প্রভাবিত হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে নতুন করে নানা অভিযোগ সামনে আসায় বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আলী মুর্তজা পলাশের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে কেউ যাতে আইনের ঊর্ধ্বে না থাকতে পারে, সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।