উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী ও বেগবান করতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন মাহফুজুল ইসলাম খান এবং আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার সজীব। একইসাথে দলের দাপ্তরিক কার্যক্রমের মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ফারুক হোসেন খানকে।নাগরিক ঐক্যের দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজপথের আন্দোলন এবং তৃণমূল পর্যায়ে গণতান্ত্রীক কল্যাণরাষ্ট্র গড়ার সংগ্রামকে চূড়ান্ত রূপ দিতেই দলে নবীন-প্রবীণের সমন্বয় করা হয়েছে।রাজপথ থেকে সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হওয়া মাহফুজুল ইসলাম খান এবং রাজ্জাক সজীব দীর্ঘ সময় ধরে নাগরিক ঐক্যের প্রতিটি গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। মাহফুজুল ইসলাম খান বর্তমানে নাগরিক যুব ঐক্যর সভাপতির পদমর্যাদার প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করছেন। এবং নাগরিক যুব ঐক্য'র সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদকের দায়ীত্ব পালন করেছেন। আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার সজিব নাগরিক ঐক্য'র ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সদস্য সচিবের দায়িত্বে ছিলেন। দপ্তরের দায়িত্ব পাওয়া ফারুক হোসেন খান নাগরিক যুব ঐক্য'র যুগ্ম সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করছেন। তাদের এই নতুন নিয়োগকে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় তারা জানান, "দলের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বে জনগণের অধিকার আদায়ের লড়াইকে গ্রাম-গঞ্জে ছড়িয়ে দেওয়াই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য।"দপ্তরে নতুন গতি, দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক কাজের তদারকিতে দপ্তর সম্পাদক হিসেবে ফারুক হোসেন খানের নিয়োগকে একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় কমিটির সাথে সারাদেশের জেলা ও উপজেলা কমিটির নিবিড় যোগাযোগ নিশ্চিত করতে তিনি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবেন। একই সাথে টাঙ্গাইল জেলা নাগরিক ঐক্য'র সভাপতি এ্যাডভোকেট বজলুর রহমান, কুষ্টিয়া জেলা নাগরিক ঐক্য'র সমন্বয়কারী বাপ্পী আহমেদ ও যশোর জেলা নাগরিক ঐক্য'র আহবায়ক ফেরদৌস পরশ -কে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য করা হয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এই সন্ধিক্ষণে সাংগঠনিক এই সিদ্ধান্ত নাগরিক ঐক্যের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। নবনিযুক্ত এই নেতারা খুব শীঘ্রই বিভাগীয় পর্যায়ে সফর শুরু করবেন এবং ঝিমিয়ে পড়া কমিটিগুলোকে পুনর্গঠন করে নতুন উদ্যমে রাজপথে নামবেন। দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, এই পরিবর্তনের মাধ্যমে নাগরিক ঐক্য কেবল একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে নয়, বরং জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে নিজেদের আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর।