উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
অগ্নিশিখা অনলাইন ||
নিজস্ব প্রতিবেদক : ভূমি দস্যুদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন আমিন বাজার রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন খান। তার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।ভূমি দস্যুদের দেশ ও জাতির শত্রু আখ্যা দিয়ে তিনি আরও বলেন, ভূমি দস্যুরা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য যে-কোনো সময় যে কোন অন্যায় করতে দ্বিধাবোধ করেন না। তিনি জানান, আমি আমিনবাজার ভূমি অফিসে যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছি, আমরা সরকারের বেতনভুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী। আমাদের কাজের বিনিময়ে জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বেতন গ্রহণ করি, এ দায়বদ্ধতা থেকে জনগণ ও সরকারের স্বার্থ ঠিক রেখে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সম্প্রতি একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আসলে যে বিষয়টি নিয়ে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে সে বিষয়টি আমার পূর্ববর্তী কর্মকর্তার সময়ের। বিষয়টি আমার দৃষ্টি গোচর হওয়ার পরই সাথে সাথে আমরা সেই মিস মোকদ্দমার রায় বাতিলসহ তৎমুলে সৃজিত নামজারি জোত বাতিল করেছি এবং ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের সহি স্বাক্ষর জাল পূর্বক সরবরাহকৃত ৯৮৮ নং খতিয়ানটি অপসারণ করে সংশোধননের এবং সংশোধিত খতিয়ান অনলাইনে এন্ট্রি দেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি।এখানে একটি বিষয় তিনি উল্লেখ করে বলেন, ৩১৫/২৪ মিস মোকদ্দমা মামলায় খতিয়ান সংশোধনের আবেদনে বাদী তঞ্চকতার আশ্রয় নিয়ে জাল খতিয়ান সরবরাহ করেছে। তারা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে সকলকে হয়রানি করে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ করার দুরভিসন্ধিমূলক কাজ করেছে। বিষয়টি আমার নজর গোচর হওয়ার সাথে সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। তিনি বলেন, সরকারি সম্পত্তি কোনোভাবে গ্রাস করার সুযোগ নেই, হয়ত সাময়িকভাবে তঞ্চকতার আশ্রয় নিয়ে লাভবান হওয়া যায়, কিন্তু স্থায়ীভাবে লাভবান হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ইতোমধ্যে সম্পত্তিটি সরকারি সার্ভেয়ারের মাধ্যমে মেপে সরকারের পক্ষে দখল নেয়া হয়েছে।তিনি সম্প্রতি একটি উচ্ছেদ অভিযানের ঘটনা স্মরণ করে দিয়ে বলেন, ২০ বছর ধরে চলা মামলার রায় পাওয়া বাদীকে আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে তার দখল বুঝিয়ে দিয়েছি।এছাড়া আমরা বিভিন্ন সময়ে সরকারি দখলকৃত জমি উদ্ধার করছি এবং আমাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি ভূমি দস্যুদের আবারও স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, আমি যতদিন এখানে আছি ততদিন সরকারি স্বার্থ সমুন্নত রেখেই কাজ করে যাবো, কোনো অন্যায়ের সাথে আপোশ করার সুযোগ নেই। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আপনাদের লেখনীর মাধ্যমে সঠিক ও সত্যিটা যেন উঠে আসে কোনো ভাবে, কারো প্ররোচনায় যেন ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে কেউ যেন সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন না হয়।আমি এই অফিসে যোগদান করার পর থেকে সকল সেবা প্রত্যাশী, গণমাধ্যমকর্মী সকলকে আমার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আপনাদের যে কোনো প্রয়োজনে আমিনবাজার রাজস্ব সার্কেল আপনাদের পাশে আছে।